আমরা এই ভোটটাকে উৎসবমুখর করতে চাই, জনগণ যেন তার পছন্দের প্রার্থীকে বেছে নিতে পারে, অ্যাড. মাসুদ পারভেজ রাসেল

স্টাফ রিপোর্টার
সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচারণায় মেতে উঠেছেন। নির্বাচনকে সামনে রেখে হাট বাজার, চায়ের দোকান আলোচনায় মুখরিত। ১২ ফেব্রুয়ারী নির্বাচনে কে জয়ের মুকুট পড়বে সেটা নিয়ে চলছে ব্যাপক জল্পনা-কল্পনা। ২২ জানুয়ারী থেকে শুরু হয়েছে নির্বাচনী প্রচারণা। বেলা ২টার বাজার সাথে সাথে বের হচ্ছে ভোটের মাইক। অপরদিকে প্রার্থীরা দল বেধে গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করছেন। বিভিন্ন দেয়ালে গাছে টাঙ্গানো হচ্ছে কাপড়ের ব্যানার। এ কারনে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। বিছিন্ন দুই একটি ঘটনা ছাড়া চুয়াডাঙ্গাতে নির্বাচন কেন্দ্রিক কোন অঘটন ঘটেনি। এদিকে ২২ জানুয়ারী সকালে কবর জিয়ারতের মধ্য দিয়ে নির্বাচনী কর্মকান্ড শুরু করেন এ আসনের জামায়াতের প্রার্থী এ্যাড মাসুদ পারভেজ রাসেল।
বিএনপি, জামায়াত ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলনের ৩ জন প্রার্থী চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে প্রতিন্দন্দ্বীতা করছেন। প্রার্থী ৩ জন হলেন জেলা বিএনপি সাধারন সম্পাদক ও ধানের শীষ প্রতীকের মনোনীত প্রার্থী মোঃ শরীফুজ্জামান শরীফ, ১১ দলীয় জোট ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মনোনীত প্রার্থী জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী এ্যাড. মাসুদ পারভেজ রাসেল এবং ইসলামী আন্দোলনে মনোনীত প্রার্থী হাতপাখা প্রতীক নিয়ে লড়ছেন জহুরুল ইসলাম আজিজি।
জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেওয়া, দেশের সার্বিক উন্নয়ন, রাষ্ট্র সংস্কার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠাসহ নানান প্রতিশ্রুতি ও দিয়েছেন চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী অ্যাড. মাসুদ পারভেজ রাসেল। দৈনিক আজকের চুয়াডাঙ্গা পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক বিপুল আশরাফের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে নির্বাচন নিয়ে মাসুদ পারভেজ রাসেলের একান্তে আলাপচারিতায় বিভিন্ন বিষয় উঠে আসে। নিন্মে সেগুলো বর্ণনা করা হলো
আজকের চুয়াডাঙ্গা ১. আপনার এলাকার ভোটারদের জন্য আপনার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি কি?
মাসুদ পারভেজ রাসেল: চুয়াডাঙ্গা ১ আসনে চুয়াডাঙ্গা সদর ও আলমডাঙ্গা মিলে ৫ লক্ষ ১১ হাজার ভোটার রয়েছে এবং এখানে যারা নাগরিক আছেন সে সকল নাগরিকের জন্য আমরা যেটা বলতে চাই, আমাদের প্রত্যেকটি মানুষের নাগরিক যে সুযোগ-সুবিধা মৌলিক যে অধিকার এগুলো আমরা নিশ্চিতকরণে কাজ করতে চাই। আমরা স্বাধীনতার পর থেকে যা দেখে এসেছি যে সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলো ক্ষমতায় এসেছে বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দেখিয়েছে কিন্তু আমরা দেখেছি মানুষ তাদের অধিকার থেকে তারা বঞ্চিত থেকেছে। আমাদের এলাকা একটি কৃষি প্রধান এলাকা, কৃষকদের সারের যে অপ্রাপতা সার এবং কীটনাশক পাওয়ার ক্ষেত্রে তাদের যেই জটিলতা, এইটা নিরসনে আমরা সর্বপ্রথম কাজ করতে চাই। আমাদের চুয়াডাঙ্গাতে চিকিৎসা সেবার ক্ষেত্রে আমরা অনেক পিছিয়ে আছি। এই চিকিৎসা সেবাকে আমরা একটি আধুনিক পর্যায়ে নিয়ে যেতে চাই। যে সমস্ত চিকিৎসা কেন্দ্র আছে আমাদের সদর হাসপাতাল এবং আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এগুলোর আসন ক্ষমতা এবং ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি ডাক্তার নার্স এবং অন্যান্য কর্মকর্তা বৃদ্ধিসহ এখানকার চিকিৎসার মান আমরা বৃদ্ধি করতে চাই। এছাড়াও আমাদের ছাত্রদেরকে মেধাবিকাশ সাধনের জন্য পড়ালেখার পাশাপাশি অন্যান্য আইসিটি থেকে শুরু করে এআই সহ অন্যান্য যে বিষয়গুলো আছে সবগুলো বিষয়ে প্রশিক্ষণের মধ্য দিয়ে আমরা তাদেরকে যোগ্য করে গড়ে তুলতে চাই। যারা আমাদের এই চুয়াডাঙ্গার ভাব মর্যাদা শুধু উজ্জ্বলই করবে না বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে এক অনন্য অবস্থানে নিয়ে যাবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা এবং সে অনুযায়ী আমরা কাজ করতে চাই। আমাদের এই যুব সমাজটাকে মাদক থেকে সরিয়ে নিয়ে এসে কর্মক্ষম যুব সমাজ তৈরি করতে চাই।
আজকের চুয়াডাঙ্গা ২. নির্বাচনী আচরণ বিধি পালনে নেতাকর্মীদের প্রতি আপনার নির্দেশনা কি?
মাসুদ পারভেজ রাসেল: বাংলাদেশে জামায়াত ইসলামী একটি সুশৃংখল সংগঠন, আমরা সবসময়ই আইনের উপর শ্রদ্ধাশীল। আইন মেনে চলাতেই আমরা স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। বাংলাদেশের প্রত্যেকটি নাগরিক যদি আইনের প্রতি শ্রদ্ধা পোষন করে তাহলে এই বাংলাদেশটা একটা সুন্দর দেশে পরিণত হবে। আমরা আমাদের কর্মীদেরকে সবসময় উদ্বুদ্ধ করছি নির্বাচনী আচরণবিধি যেন নষ্ট না হয় এ ব্যাপারে সব সময় তাদেরকে আমরা বলছি। আমাদের নেতাকর্মীরা সবসময় নির্বাচনী আচরণ বিধি মেনে চলছে। আমরা নির্বাচনে আইন বিধি মেনেই এগোচ্ছি এবং কর্মীদেরকেউ বলে যাচ্ছি নির্বাচন শেষ হওয়া পর্যন্ত আচরণবিধি মেনে চলার জন্য।
আজকের চুয়াডাঙ্গা ৩. জুলাই সনদ বিষয়ক গণভোট নিয়ে আপনার অবস্থান কি?
মাসুদ পারভেজ রাসেল: আমরা জাতি হিসেবে বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানো শিখেছি। ছাত্র জনতার জীবন দানের মধ্য দিয়ে, ছাত্র জনতার পঙ্গুত্ব বরনের মধ্য দিয়ে আমরা নতুন একটি যাত্রা শুরু করেছি। এই গণতান্ত্রিক যাত্রাকে আর কেউ সামনে যেন রোধ করতে না পারে, আর যেন নতুন করে কেউ ফ্যাসিজম চালনা না করতে পারে, আর যেন নতুন করে কেউ স্বৈরাচারী হয়ে না উঠতে পারে, এ কারণে আমরা মনে করি সকল সেক্টরে  জবাবদিহিতা থাকা উচিত। এই জবাবদিহিতা থাকার জন্য আমরা মনে করি গণভোট একটি মাইল ফলক। এই গণভোটে আমাদের অবস্থান হ্যা এর পক্ষে। আমরা এ বিষয়ে সকল জনগণকে বলছি সকল নাগরিককে বলছি। দেশের চাবিকাঠি বুঝে নেওয়ার জন্য দেশের প্রকৃত নাগরিক হিসেবে মর্যাদা নিয়ে বেঁচে থাকার জন্য সকল শ্রেণী পেশার মানুষের উচিত হবে এই গণভোটকে বেছে নেওয়া। গণতন্ত্রের একটি স্থায়ী রূপ দেওয়ার জন্য আমাদের এই গণভোটের জয়যুক্ত করা প্রয়োজন।
আজকের চুয়াডাঙ্গা ৪. আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে আপনার প্রত্যাশা কি?
মাসুদ পারভেজ রাসেল: আমাদের বিগত তিনটা নির্বাচন ছিল বাংলাদেশের জন্য একটি খারাপ অধ্যায়। আমরা সেদিকে আর তাকাতে চাই না, তবে সেখান থেকে আমরা শিক্ষা নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই। সেটা হচ্ছে বাংলাদেশের জনগণ যে দীর্ঘদিন ভোট দিতে পারেনি একজনের ভোট আরেকজন দিয়ে দিয়েছে। দিনের ভোট রাতে সংঘটিত হয়েছে, ডামি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আমরা মনে করি এর থেকে বের হয়ে আসার আমাদের সুযোগ হয়েছে। আমরা সকল রাজনৈতিক দলকে অনুরোধ করতে চাই, প্রশাসনের সাথে সম্পৃক্ত সকল কর্মকর্তা কর্মচারীকে অনুরোধ করতে চাই জাতি হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর জন্য যে সুযোগ আমাদের এসেছে আমরা যেন কেউ কারো ব্যক্তি সাধ্যের কারণে আমরা যেন সেটা দূরে ঠেলে না দিই। আমরা যেন এই ভোটটাকে উৎসবমুখর করি। প্রত্যেকটা মানুষ যেন বাধাহীন ভাবে ভোট সেন্টারে আসতে পারে এ ব্যাপারে রাজনৈতিক দলসমূহ সহযোগিতা করবেন এটাই প্রত্যাশা করি। ভোট সেন্টারে যে সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ থাকবেন তাদেরকে অনুরোধ করতে চাই আপনারা যদি ইতিহাসের পাতায় নিজেদেরকে উঠাতে চান তাহলে সুন্দরভাবে নির্বাচনী কার্যক্রম করতে হবে। একটি উৎসবমুখর নির্বাচন আপনারা উপহার দিবেন যেন জনগণ তার পছন্দের প্রার্থীকে বেছে নিতে পারে সেদিকে খেয়াল রাখবেন। যে প্রার্থী জয়যুক্ত হবে তার সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করব।
আজকের চুয়াডাঙ্গা ৫. নির্বাচনে জয়লাভ করলে এলাকার কি কি করতে চান?
মাসুদ পারভেজ রাসেল:  চুয়াডাঙ্গা জেলার বিভিন্ন সরকারি অবকাঠামো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কলকারখানা সকল দিক থেকেই আমরা পিছিয়ে আছি। এই কারণে আমরা আমাদের এলাকার মেধাবীদেরকে ধরে রাখতে পারি না। আমরা যদি সেই সুযোগ পাই তাহলে আমাদের এখানে ভালো মানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তৈরি করব। যেখান থেকে মেধাবী তৈরি হবে, আমাদের এখানে মেডিকেল কলেজ স্থাপন করা হবে। যেখান থেকে আমাদের সুচিকিৎসা হবে। আমরা মেধাবীদেরকে তৈরি করতে পারব, পাশাপাশি আমাদের এখানে একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি করবো, বিশেষ করে আমাদের এখানে একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রয়োজন। যেহেতু আমাদের চুয়াডাঙ্গা একটি কৃষি প্রধান জেলা, আমাদের এই জেলার যারা বড় বড় ব্যবসাদার দেশে বিদেশে আছে, তাদের নিজের জেলাতে একটা ভালো বিজনেস তৈরি করার নিরাপত্তা দিব, তাদের অর্থের নিরাপত্তা দিব যেন তারা নিজ এলাকায় কলকারখানা তৈরি করতে পারে। পাশাপাশি আমাদের এখানে প্রাইভেট এবং পাবলিক চিকিৎসা ব্যবস্থা গড়ে তোলার চেষ্টা করব। কোন চিকিৎসার জন্য যেন আমাদেরকে রাজশাহী বা ঢাকাতে যেতে না হয় সে ব্যবস্থা করতে চাই। বিশেষ করে আমরা মেধাবীদেরকে বেশি প্রাধান্য দিব যে যে বিষয়ে পারদর্শী তাকে দলীয় কাজের বাইরে রেখে সে বিষয়ে পড়ালেখার সুযোগ করে দিব।
আজকের চুয়াডাঙ্গা ৬. আগামী সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে বলে আপনি কি মনে করছেন?
মাসুদ পারভেজ রাসেল: নির্বাচন সুষ্ঠু হবে এ বিষয়ে আমরা আশাবাদী, কিন্তু কার্যক্রম ক্ষেত্রে আমরা একটু অনিয়ম দেখতে পাচ্ছি। আমরা মনে করি নির্বাচনকে অবাধ ও সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভাবে করতে যে সকল সুযোগ-সুবিধা আছে সেগুলো প্রদান করা। নির্বাচনে যেন কোন অস্ত্র না নিয়ে আসা সার্বিকভাবে যে সমস্ত বিষয়গুলো আমাদের হুমকির কারণ হতে পারে সেদিকে নজর রাখা। এ সমস্ত বিষয়গুলো দেখে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর আমরা বিভিন্ন অভিযানের নাম শুনছি এখন পর্যন্ত আমরা জানি এটা সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ার কারণে অনেক আগেও অস্ত্র প্রবেশ করানো হয়েছে, সেই অস্ত্রগুলো উদ্ধার করার জন্য প্রশাসনকে কোন কার্যক্রম করতে দেখা যায়নি। আমাদের প্রত্যাশা থাকবে নির্বাচনের কার্যক্রম শুরু হওয়ার আগেই এই গুলোর দিকে নজর দেওয়া। যাদের কাছে অস্ত্র আছে তাদেরকে আইনের আওতায় নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। সর্বোপরি আমরা আশাবাদী থাকবো একটি সুস্থ সুন্দর নির্বাচন আমরা পাবো।
আজকের চুয়াডাঙ্গা, সময়  দেওয়ার জন্য রাসেল আপনাকে ধন্যবাদ।
মাসুদ পারভেজ রাসেল চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার জামজামি ইউনিয়নের ছত্রপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। এখানেই তার স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা। তার পিতার নাম খাইরুল ইসলাম, মাতা পারুলা ও স্ত্রী ওয়াহিদা পারভীন। রাসেলের শিক্ষাগত যোগ্যতা এল.এল.এম। পেশায় তিনি চুয়াডাঙ্গা জজ কোর্টের আইনজীবী। ১০ জুন ১৯৮৫ সালে জন্ম নেয়া এ্যাড. রাসেল ২ পুত্র সন্তানের জনক। তার স্ত্রী ওয়াহিদা পারভীন শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন।
মাসুদ পারভেজ রাসেল ২০০০ সালে ইসলামী ছাত্র শিবিরের  হাত ধরেই রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রবেশ করেন। পরবর্তীতে কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র শিবির সংগঠনের সদস্য হিসেবে যোগদান করেন। সর্বশেষ তিনি কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কমিটির পরিকল্পনা ও গবেষণা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। পরে ২০১১ সালে ছাত্রজীবন শেষ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতীতে যোগদান করেন তিনি। এ সময় তিনি চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার আমীর হিসেবে জেলার রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন। বর্তমানে তিনি চুয়াডাঙ্গা জেলা জামায়াতের সহকারি সেক্রেটারি হিসেবে নিষ্ঠারসাথে দায়িত্ব পালন করছেন।
চুয়াডাঙ্গা-১: এ আসনটি চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ৬টি এবং আলমডাঙ্গা উপজেলার ১৫টি অর্থাৎ ২১টি ইউনিয়ন ও ২টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত। এর মধ্যে অন্তভূক্ত রয়েছে আলমডাঙ্গা পৌরসভা ও চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা। এখানে মোট ভোটার ৫ লাখ ১১ হাজার ৬৫৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৫৪ হাজার ৩০২ জন ও মহিলা ২ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৭ জন এবং হিজরা ৭ জন।

Leave a Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।