আলমডাঙ্গায় পরকীয়া সম্পর্কের জেরে যুবক-যুবতি আটক, অর্থের বিনিময়ে মীমাংসা

আলমডাঙ্গা অফিস
আলমডাঙ্গার বেলগাছি ইউনিয়নে স্থানীয়দের হাতে এক নারী ও যুবক আটক হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পেছনে পরকীয়া সম্পর্কের অভিযোগ থাকায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে এ ঘটনা ধামাচাপা দিতে অর্থের বিনিময়ে ঘটনাটি মীমাংসার অভিযোগ উঠছে।
স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, গত রবিবার রাতে ইউনিয়নের বাগানপাড়া ক্যানেলের ধারে ডাউকি ইউনিয়নের পুয়ামারি গ্রামের আইয়ুব আলীর ছেলে সুমন (২২) ও বৃষ্টি খাতুন (২১) একসাথে থাকার সময় স্থানীয়রা তাদের আটক করেন। বৃষ্টি খাতুন আলমডাঙ্গা উপজেলার ডাউকি ইউনিয়নের আব্দুল লতিফের স্ত্রী। দাম্পত্য জীবনে তাদের একটি ৫ বছর বয়সী পুত্র সন্তান রয়েছে।
স্বামী আব্দুল লতিফ জানান, গত এক বছর ধরে তার স্ত্রী বিভিন্ন পুরুষের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ শুরু করে এবং বিষয়টি জানার পর বাধা দিলে তিনি বাবার বাড়িতে চলে যান। তিনি বলেন, আমি সমাজের মুরুব্বিদের পাঠিয়েছি, কোর্টেও মামলা করেছি, তবুও তিনি সংসারে ফিরতে চাচ্ছেন না। সম্প্রতি শুনেছি, তিনি সুমন নামের যুবকের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বৃষ্টি খাতুনের বিয়ে থাকলেও গত এক বছর ধরে তিনি শ্বশুরবাড়িতে অবস্থান করছেন না। দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি মামলা চলছিল। ঘটনার পর সোমবার সকালে অর্থের বিনিময়ে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়। এলাকাবাসীর দাবি, বৃষ্টির পিতা আব্দুল মালেক ৩০ হাজার টাকার বিনিময়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন।
অভিযুক্ত সুমন পেশায় একজন টাইলস মিস্ত্রি। তিনি ঢাকায় কাজ করেন এবং মাঝেমধ্যে এলাকায় এসে বৃষ্টির সঙ্গে দেখা করতেন। স্থানীয়দের মতে, তাদের একসাথে বিভিন্ন স্থানে দেখা গেছে।
বৃষ্টি খাতুন বলেন, আমি সুমনের সঙ্গে সংসার করতে চাই, তবে সুমন রাজি না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত আর্থিক সমঝোতার পথ বেছে নেওয়া হয়েছে।

Leave a Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।