আলমডাঙ্গা অফিস
আলমডাঙ্গা উপজেলার খোরদ গ্রামে ঘর নির্মাণের সময় মাটি খুঁড়তে গিয়ে একটি পিতলের হাঁড়ির ভেতর থেকে পাঁচটি ধাতব মূর্তি উদ্ধার হওয়াকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। গতকাল সোমবার বিকেল ৪টার দিকে মোজাম আলীর ছেলে জমিরউদ্দীনের বাড়িতে নির্মাণকাজ চলাকালে শ্রমিকরা কোদাল দিয়ে মাটি খুঁড়তে গিয়ে একটি পিতলের হাঁড়ি পান। হাঁড়ির ভেতরে কিছু মূল্যবান বস্তু থাকতে পারে এমন খবর ছড়িয়ে পড়লে গ্রামজুড়ে কৌতূহল ও উৎসুক জনতার ভিড় জমে।
খবর পেয়ে চুয়াডাঙ্গা ৬ বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে, মাটি খুঁড়ে হাঁড়িটি উদ্ধার করে। পরে সেখান থেকে পাঁচটি ধাতব মূর্তি পাওয়া যায়। প্রাথমিকভাবে অনেকেই এগুলো স্বর্ণের বলে ধারণা করায় এলাকায় ‘গুপ্তধন’ পাওয়ার গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। তবে পরে চুয়াডাঙ্গা গোল্ড টেস্টিং অ্যান্ড হলমার্ক সেন্টারে পরীক্ষা করে মূর্তিগুলো তামা বা তামাজাতীয় ধাতুর তৈরি বলে জানা গেছে। ঘটনার সময় নিরাপত্তাজনিত কারণে সাংবাদিকদের প্রবেশ সীমিত রাখা হলে স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহল আরও বাড়ে। এ ঘটনায় এলাকায় দিনভর আলোচনা-উৎসাহের সৃষ্টি হয়।
এদিকে চুয়াডাঙ্গা-৬বিজিবি সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ রাজ মামুদ গণমাধ্যমে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, গতকাল সোমবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোঃ নাজমুল হাসান এর দিকনির্দেশনায় এবং নায়েক সুবেদার জাকির হোসেনের নেতৃত্বে আলমডাঙ্গা উপজেলার খোরদ গ্রামের চিনি পাড়া বিশ্বাস বাড়ি এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় পরিত্যক্ত অবস্থায় ১ কেজি ৯৮২ গ্রাম ওজনের একটি পুরাতন পিতলের কলসের ভেতর থেকে ১ কেজি ৭৩২ গ্রাম ওজনের ৫টি মূর্তি উদ্ধার করা হয়। এ ব্যাপারে আলমডাঙ্গা থানায় একটি জিডি করা হয়েছে।
আলমডাঙ্গার খোরদ গ্রামে ‘গুপ্তধন’ উদ্ধার নিয়ে চাঞ্চল্য পিতলের কলসের ভিতর থেকে উদ্ধার করা হলো ৫টি ধাতব মূর্তি



