কনকনে শীত উপেক্ষা করে জীবননগরে বোরো ধান রোপণে ব্যস্ত কৃষকরা

রকিবুজ্জামান/টিপুসুলতান, জীবননগর
পৌষ মাসের শুরু থেকেই জীবননগর উপজেলা জুড়ে চলছে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ। কনকনে ঠান্ডা, ঘন কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ায় জনজীবন অনেকটাই স্থবির হয়ে পড়েছে। তবে এসব প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে মাঠে নেমে পড়েছেন জীবননগরের কৃষক ও কৃষানিরা। বোরো মৌসুমের শুরুতেই সেচ, জমি প্রস্তুত, চারা সংগ্রহ ও রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা।
উপজেলার বিভিন্ন মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, কোথাও সেচ পাম্প, কোথাও বৈদ্যুতিক মোটর ও সোলার পাম্পের মাধ্যমে জমিতে পানি সরবরাহ করা হচ্ছে। কোথাও টিলার, আবার কোথাও হালের গরু দিয়ে জমি প্রস্তুত করা হচ্ছে। বীজতলা থেকে চারা তুলে মাথায় বহন করে জমিতে এনে সারিবদ্ধভাবে রোপণ করছেন শ্রমিকরা। বেশি লাভের আশায় উচ্চ ফলনশীল বিভিন্ন জাতের বোরো ধান চাষে কৃষকদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ লক্ষ্য করা গেছে।
ধান রোপণের শ্রমিক আব্দুল মালেক জানান, চুক্তিভিত্তিক প্রতি বিঘা জমিতে ধান রোপণে ২ হাজার ৫শ টাকা নেওয়া হয়। দড়ি দিয়ে লাইন করে লাগালে প্রতি বিঘায় ৩ হাজার টাকা। ভোরের কুয়াশায় বীজতলা থেকে চারা তুলে দিনভর কাদার মধ্যে কাজ করে একজন শ্রমিক দৈনিক এক হাজার থেকে এক হাজার পাঁচশ টাকা পর্যন্ত আয় করছেন।
আরেক শ্রমিক রহিম হোসেন বলেন, এখন ধান লাগানোর মৌসুম হওয়ায় কাজ বেশি। মৌসুম শেষ হলে কাজ কমে যাবে। তাই শীত উপেক্ষা করেই ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কাজ করছি। ঠান্ডা পানি আর কাদার মধ্যে কাজ করতে করতে এখন অভ্যাস হয়ে গেছে।
কৃষক নুরুজ্জামান বলেন, আমার দুই বিঘা জমিতে খাটো বাবু জাতের ধান লাগানোর প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। তবে শ্রমিক সংকটের কারণে ৪-৫ দিন দেরি হতে পারে। আরেক কৃষক সিরাজুল ইসলাম জানান, প্রচণ্ড ঠান্ডা ও ঘন কুয়াশার কারণে চারা হলুদ হয়ে নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকায় তিনি কিছুদিন পর চারা রোপণের পরিকল্পনা করেছেন।
জীবননগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন জানান, চলতি মৌসুমে উপজেলায় ৭ হাজার ২৬০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান রোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে এক সপ্তাহ ধরে রোপণ কার্য

Leave a Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।