স্টাফ রিপোর্টার
চুয়াডাঙ্গায় দুইদিন ব্যাপি ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহের বিজ্ঞান বিষয়ক কুইজ প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে । গতকাল সোমবার বেলা ১২টায় ডিসি সাহিত্য মঞ্চে পুরস্কার বিতরণের মধ্যদিয়ে শেষ হয় অনুষ্ঠানটি।
নেজারত ডেপুটি কালেক্টটর মোহাম্মদ আলাউদ্দিন আল আজাদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার। তিনি বলেন ‘এখন প্রতিটা বাচ্চাই খুব মেধাবী। প্রত্যেকের নিজস্ব মেধা আছে। আমাদের অবিভাবকের উচিত এই মেধার পরিচর্যা করা। আজকে এই বিজ্ঞান মেলায় যারা এত সুন্দর সুন্দর প্রজেক্ট নিয়ে এসেছো, তারা ভবিষ্যতেও যাতে এভাবেই সামনে এগিয়ে যেতে পারো এই কামনাই করি’। আমি বাচ্চাদের দেখলে কথা বলার লোভটা সামলাতে পারি না। তোমাদের ম্যাডাম কথা বলছিলেন যে প্রত্যেকটা বাচ্চাই আসলে মেধাবী। আমি আসার পথে আমাদের একজন ছাত্র আমার কাছে একটা ছবি দিয়েছে। দেখো কি সুন্দর সে আঁকতে পেরেছে তাই না? একইসাথে আমি মনে করি যে প্রত্যেকটা বাচ্চার মধ্যেই এরকম একটা না একটা কোয়ালিটি আছে। কিন্তু আমরা অভিভাবকরা, আমরা যারা শিক্ষক মণ্ডলী আছি আমরা আমাদের বাচ্চাগুলিকে পরিচর্যা করে তোমাদের যে মেধার বিকাশ এটা আসলে সঠিকভাবে অনেক সময় করতে পারি না। আমি চাই সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আজকে তোমরা যারা এতো আগ্রহ নিয়ে এই বিজ্ঞান মেলায় উপস্থিত হয়েছ, বিভিন্ন প্রোজেক্ট করেছ, তোমরা ভবিষ্যতে যাতে আরো আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে পারো এবং তোমাদের যার মধ্যে যে ধরণের মেধা আছে সেটার যেন বিকাশ আমরা সঠিকভাবে পরিচর্যার মাধ্যমে করতে পারি। এই আহ্বান জানিয়ে তোমাদেরকে আবারও ধন্যবাদ দিচ্ছি। তোমরা এতো চমৎকারভাবে প্রত্যেকে এই আয়োজনে অংশগ্রহণ করেছ।
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক শারমিন আক্তার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) নয়ন কুমার রাজবংশী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( সদর সার্কেল ) মোস্তাফিজুর রহমান, চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যাক্ষ প্রফেসর সিদ্দিকুর রহমান, জেলা শিক্ষা অফিসার জেসমিন আরা খাতুন। এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।
পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে চুয়াডাঙ্গায় দুই দিনব্যাপী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলার সমাপ্তি



