সিরাপসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক, প্রাইভেট কার জব্দ

স্টাফ রিপোর্টার
চুয়াডাঙ্গার সীমান্তবর্তী দামুড়হুদা থেকে ৮৪০ বোতল নেশাজাতীয় সিরাপ এস্কাফ সিরাপ উদ্ধার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। এ ঘটনায় দুইজনকে আটক করা হয়েছে। অভিযানে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেট কারও জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। বুধবার সকাল ৬টার দিকে জেলার দামুড়হুদা উপজেলার জগন্নাথপুর এলাকায় অভিযান চালানো হয়। আটককৃতরা হলেন, রাজবাড়ী জেলার লক্ষ্মীকোল গ্রামের মৃত জব্বার মন্দিরের ছেলে সাইদুল সর্দার (৩৯) ও একই গ্রামের কেয়াম উদ্দীন মল্লিকের ছেলে শহিদুল ইসলাম (৩৫)।
গতকাল দুপুরে চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার সকাল ৬ টার দিকে গোয়েন্দা পুলিশের  এসআই (নিঃ)/মোঃ আশরাফুল ইসলাম, এএসআই (নিঃ)মোঃ রজিবুল হক, মোঃ আবু আল ইমরানের নেতৃত্বে দামুড়হুদার নাটুদাহ-জগন্নাথপুর সড়কে অভিযান চালানো হয়। এসময় সন্দেহভাজন একটি প্রাইভেটকারের গতিরোধ করার চেষ্টা করা হলে কারটি পুলিশের গাড়িকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরে ধাওয়া দিয়ে কারটিকে আটক করা হয়। প্রাইভেট কারের মধ্যে থাকা ড্রাইভার ও অন্য একজন ব্যক্তি পালানোর চেষ্টাকালে তাদের দুই জনকে  গ্রেফতার করা হয়। তল্লাশী চালিয়ে ৮৪০ বোতল এস্কাফ সিরাপ জব্দ করা হয়। এছাড়াও একটি বাটন ও  একটি এন্ড্রয়েড মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। আটককৃত মালামালের মূল্য ২৫ লাখ ২০ হাজার টাকা।
পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, উদ্ধারকৃত এস্কাফ সিরাপ মাদক হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এটি ফেনসিডিলের বিকল্প হিসেবে বাজারজাত করা হয়।
চুয়াডাঙ্গা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) জামাল আল নাসের বলেন, ফেনসিডিল ও এস্কাফ জেনেরিক নাম একই হওয়ায় এটি মাদক ব্যবসায়ীরা বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করে থাকে। ভারতের বিভিন্ন কোম্পানী ভিন্ন নামে কৌশলে এই মাদকটি সরবরাহ করছে। এর পেছনে একটি সংঘবদ্ধ চক্র জড়িত থাকতে পারে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে দামুড়হুদা মডেল থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়।

Leave a Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।