স্টাফ রিপোর্টার
জীবননগর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলু (৫০) সেনা হেফাজতে মৃত্যুবরণ করেছেন। এ ঘটনার প্রতিবাদে গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে চুয়াডাঙ্গা কোর্ট মোড় থেকে জেলা বিএনপির আয়োজনে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি প্রেসক্লাবের সামনে দিয়ে কলেজ রোড হয়ে সদর হাসপাতাল চত্বরে এসে শেষ হয়।
মিছিল শেষে হাসপাতাল এলাকায় জেলা বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের যৌথ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শরীফুজ্জামান শরীফ এ ঘটনাকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড আখ্যা দিয়ে সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।
শরীফুজ্জামান শরীফ প্রশ্ন রেখে বলেন, যত অবৈধ অস্ত্র কি শুধু বিএনপি’র কাছেই আছে? এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকান্ড। এই অবৈধ অস্ত্র ধরাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন জায়গায় আমাদের নেতাকর্মীদের মারধর ও হয়রানি করা হচ্ছে। বিগত ১৭ বছর যারা ফ্যাসিস্ট কায়েম করেছিল তাদের কাছে কি অস্ত্র নেই? এই প্রশাসন কি তাদের কাছ থেকে একটি অস্ত্র উদ্ধার করতে পেরেছে। জুলাই আন্দোলনে যারা থানা লুট করে অস্ত্র নিয়ে গেছে তাদের কাউকে ধরতে পারেনি প্রশাসন।
জীবননগর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলুকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এখানে সেনাপ্রধানের হস্তক্ষেপ চাই। এর সুষ্ঠু তদন্ত করে যারাই জড়িত থাকুক তাদেরকে বিচারের আওতায় আনতে হবে।
জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু জানান, শামসুজ্জামান ডাবলুর মৃত্যুর সঠিক বিচার নিশ্চিত করতে হবে এবং আজ বুধবার বেলা ১১টায় জীবননগরে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
ডাবলুর মৃত্যুর প্রতিবাদে চুয়াডাঙ্গায় জেলা বিএনপির বিক্ষোভ ও সমাবেশ



