দর্শনা অফিস
বাংলাদেশ সরকারের চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের (বিএসএফআইসি) এর নিয়ন্ত্রণাধীন বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি)-এর নিয়ন্ত্রণাধীন চিনিকলসমূহে ২০২৬-২৭ মাড়াই মৌসুমে আখের মূল্য পুনঃনির্ধারণ বিষয়ে গঠিত স্থায়ী কমিটির গত ২০ জুলাই-২০২৬ তারিখের সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক নিম্নোক্তভাবে আখের মূল্য পুনঃনির্ধারণ করা হয়।
আসন্ন ২০২৬-২০২৭ মাড়াই মৌসুম হতে আখের মূল্য মিলগেটে প্রতি কুইন্টাল ৬২৫ টাকা থেকে ৪.১৬% অর্থাৎ ২৬ টাকা বৃদ্ধি করে ৬৫১ টাকা এবং বহিঃকেন্দ্রে প্রতি কুইন্টাল ৬১২ টাকা থেকে ৪.১৬% অর্থাৎ ২৫ টাকা ৪৬ পয়সা বৃদ্ধি করে ৬৩৭ টাকা ৪৬ পয়সা পুনঃনির্ধারণ করা হয়েছে।
এছাড়া মাড়াই মৌসুমের মাঝামাঝি থেকে শেষভাগে, অর্থাৎ ১৫ জানুয়ারি হতে ১৫ দিন অন্তর ৫ দফায় প্রতি কুইন্টাল আখের মূল্য ৬ টাকা হারে বৃদ্ধির ব্যবস্থা পূর্বের ন্যায় বহাল থাকবে। তাছাড়া পূর্বের ন্যায় ৮% এর অধিক চিনি আহরণের জন্য আখের প্রিমিয়াম মূল্য প্রদান অব্যাহত থাকবে।
এদিকে মিলে মাড়াইয়ের জন্য সরবরাহযোগ্য আখের মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত হিসেবে এফএস ও সিএস শ্রেণীর বীজ আখের মূল্য প্রতি কুইন্টাল ১৪ টাকা থেকে ২ টাকা বৃদ্ধি করে ১৬ টাকা এবং টিএলএস শ্রেণীর বীজ আখের মূল্য প্রতি কুইন্টাল ৮ টাকা থেকে ২ টাকা বৃদ্ধি করে ১০ টাকায় পুনঃনির্ধারণ করা হয়েছে। জনস্বার্থে এ আদেশ জারী করেছে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন।
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্যশিল্প করপোরেশনের সিনিয়র সহকারি সচিব আয়েশা জান্নাত তাহেরা স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ সংক্রান্ত তথ্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রেরণ করেন।
এছাড়া আখের মূল্য বৃদ্ধি সংক্রান্ত শিল্প মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন আখচাষিদের মাঝে লিফলেট, পোষ্টার, ব্যানার, দলীয় সভা, আখচাষি সমাবেশ, মাইকিং ইত্যাদির মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারের নিমিত্ত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করর্পোরেশনের প্রধান (সিপিই) ড. জেবুন নাহার ফেরদৌস প্রধান (সিপিই) সাক্ষরিত একটি পত্রে এ খবর নিশ্চিত করেছেন কেরু এ্যান্ড কোং (বি.ডি) লিঃ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ রাব্বিক হাসানকে।
দর্শনা আখচাষী কল্যান সমিতির আহব্বায়ক মাহাবুবুল ইসলাম খোকন বলেন, আখের মুল্য বৃদ্ধি হওয়ায় এটা আমাদের খুবই আনন্দ ও খুশির খবর। তবে আখের মূল্য আরেকটু বাড়িয়ে আখের পাশাপাশি চিনির মূল্য বৃদ্ধি করা হলে মিল ও সরকার এবং চাষি সকলেই লাভবান হতো। কেরু চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ রাব্বিক হাসান যোগদান করার পর থেকে চাষীদের সাথে উঠান বৈঠকসহ চাষীদের সাথে বিভিন্ন বিষয়ে
আলোচনা করেছেন এবং তিনি চাষীদের আশ্বাস দিয়েছিলেন আখের দাম যেভাবেই হোক বাড়াবো। তারই ধারাবাহিতাকতায় চিনিশিল্প করপোরেশন বৈঠক করে আখের মৃল্য বৃদ্ধি করে। তিনি আরও জানান, চাষিদের দীর্ঘদিনের দাবি আখের মূল্য বৃদ্ধি করা, করপোরেশন চেয়ারম্যান সেটা করেছেন, আশা করা যাচ্ছে আগামী ১ সেপ্টেম্বর ইক্ষু রোপন মৌসুমে এলাকার আখচাষিরা অনেক বেশী,বেশী আখচাষ করে মুনাফা অর্জন করতে পারবে।
তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, কেরু চিনিকল ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে সর্বসাকুল্যে ১৬৫ কোটি টাকার উপরে মুনাফা অর্জন করেছে। যেহেতু এ বছর আখের মূল্য বৃদ্ধি হয়েছে সে হিসেবে আগামী বছর বেশী আখ পাওয়া গেলে মিলটি দ্বিগুণ লাভের মুখ দেখবে বলে জানান।
দর্শনা অফিস
বাংলাদেশ সরকারের চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের (বিএসএফআইসি) এর নিয়ন্ত্রণাধীন বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি)-এর নিয়ন্ত্রণাধীন চিনিকলসমূহে ২০২৬-২৭ মাড়াই মৌসুমে আখের মূল্য পুনঃনির্ধারণ বিষয়ে গঠিত স্থায়ী কমিটির গত ২০ জুলাই-২০২৬ তারিখের সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক নিম্নোক্তভাবে আখের মূল্য পুনঃনির্ধারণ করা হয়।
আসন্ন ২০২৬-২০২৭ মাড়াই মৌসুম হতে আখের মূল্য মিলগেটে প্রতি কুইন্টাল ৬২৫ টাকা থেকে ৪.১৬% অর্থাৎ ২৬ টাকা বৃদ্ধি করে ৬৫১ টাকা এবং বহিঃকেন্দ্রে প্রতি কুইন্টাল ৬১২ টাকা থেকে ৪.১৬% অর্থাৎ ২৫ টাকা ৪৬ পয়সা বৃদ্ধি করে ৬৩৭ টাকা ৪৬ পয়সা পুনঃনির্ধারণ করা হয়েছে।
এছাড়া মাড়াই মৌসুমের মাঝামাঝি থেকে শেষভাগে, অর্থাৎ ১৫ জানুয়ারি হতে ১৫ দিন অন্তর ৫ দফায় প্রতি কুইন্টাল আখের মূল্য ৬ টাকা হারে বৃদ্ধির ব্যবস্থা পূর্বের ন্যায় বহাল থাকবে। তাছাড়া পূর্বের ন্যায় ৮% এর অধিক চিনি আহরণের জন্য আখের প্রিমিয়াম মূল্য প্রদান অব্যাহত থাকবে।
এদিকে মিলে মাড়াইয়ের জন্য সরবরাহযোগ্য আখের মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত হিসেবে এফএস ও সিএস শ্রেণীর বীজ আখের মূল্য প্রতি কুইন্টাল ১৪ টাকা থেকে ২ টাকা বৃদ্ধি করে ১৬ টাকা এবং টিএলএস শ্রেণীর বীজ আখের মূল্য প্রতি কুইন্টাল ৮ টাকা থেকে ২ টাকা বৃদ্ধি করে ১০ টাকায় পুনঃনির্ধারণ করা হয়েছে। জনস্বার্থে এ আদেশ জারী করেছে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন।
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্যশিল্প করপোরেশনের সিনিয়র সহকারি সচিব আয়েশা জান্নাত তাহেরা স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ সংক্রান্ত তথ্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রেরণ করেন।
এছাড়া আখের মূল্য বৃদ্ধি সংক্রান্ত শিল্প মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন আখচাষিদের মাঝে লিফলেট, পোষ্টার, ব্যানার, দলীয় সভা, আখচাষি সমাবেশ, মাইকিং ইত্যাদির মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারের নিমিত্ত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করর্পোরেশনের প্রধান (সিপিই) ড. জেবুন নাহার ফেরদৌস প্রধান (সিপিই) সাক্ষরিত একটি পত্রে এ খবর নিশ্চিত করেছেন কেরু এ্যান্ড কোং (বি.ডি) লিঃ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ রাব্বিক হাসানকে।
দর্শনা আখচাষী কল্যান সমিতির আহব্বায়ক মাহাবুবুল ইসলাম খোকন বলেন, আখের মুল্য বৃদ্ধি হওয়ায় এটা আমাদের খুবই আনন্দ ও খুশির খবর। তবে আখের মূল্য আরেকটু বাড়িয়ে আখের পাশাপাশি চিনির মূল্য বৃদ্ধি করা হলে মিল ও সরকার এবং চাষি সকলেই লাভবান হতো। কেরু চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ রাব্বিক হাসান যোগদান করার পর থেকে চাষীদের সাথে উঠান বৈঠকসহ চাষীদের সাথে বিভিন্ন বিষয়ে
আলোচনা করেছেন এবং তিনি চাষীদের আশ্বাস দিয়েছিলেন আখের দাম যেভাবেই হোক বাড়াবো। তারই ধারাবাহিতাকতায় চিনিশিল্প করপোরেশন বৈঠক করে আখের মৃল্য বৃদ্ধি করে। তিনি আরও জানান, চাষিদের দীর্ঘদিনের দাবি আখের মূল্য বৃদ্ধি করা, করপোরেশন চেয়ারম্যান সেটা করেছেন, আশা করা যাচ্ছে আগামী ১ সেপ্টেম্বর ইক্ষু রোপন মৌসুমে এলাকার আখচাষিরা অনেক বেশী,বেশী আখচাষ করে মুনাফা অর্জন করতে পারবে।
তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, কেরু চিনিকল ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে সর্বসাকুল্যে ১৬৫ কোটি টাকার উপরে মুনাফা অর্জন করেছে। যেহেতু এ বছর আখের মূল্য বৃদ্ধি হয়েছে সে হিসেবে আগামী বছর বেশী আখ পাওয়া গেলে মিলটি দ্বিগুণ লাভের মুখ দেখবে বলে জানান।
প্রতি কুইন্টালে বাড়লো ২৬ টাকাকেরুজ চিনিশিল্প রক্ষার্থে আখের মৃল্য বৃদ্ধিতে খুশি কৃষকরা



