খন্দকার শাহ আলম মন্টু, আলমডাঙ্গা
আলমডাঙ্গা পৌরসভার মাছ বাজার থেকে আলিফ উদ্দিন রোড পর্যন্ত এলাকায় ড্রেন পরিষ্কারের নামে তোলা ময়লা ও কাদা-মাটি দীর্ঘ পাঁচ দিন ধরে রাস্তার পাশে ফেলে রাখার অভিযোগ উঠেছে| এতে সাধারণ পথচারী, ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন| টানা বৃষ্টিতে পরিস্থিতি আরও নাজুক হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের|
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার ড্রেন পরিষ্কার ও নির্মাণকাজের পানি নিষ্কাশনের উদ্দেশ্যে ড্রেনের ঢাকনা খুলে ভেতর থেকে ময়লা, পলি ও কাদা-মাটি তোলা হয়| তবে সেগুলো দ্রুত অপসারণ না করে রাস্তার পাশেই ফেলে রাখা হয়| ফলে মাছ বাজার থেকে আলিফ উদ্দিন রোড পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি কাদা, দুর্গন্ধ ও নোংরা পরিবেশে পরিণত হয়েছে| গতকাল বুধবার দুপুর প্রায় ২টার দিকে সরেজমিনে দেখা যায়, রাস্তার দুই পাশে ড্রেন থেকে তোলা কাদা-মাটি ও ময়লার স্তূপ পড়ে রয়েছে| সামান্য বৃষ্টিতেই সেগুলো রাস্তার ওপর ছড়িয়ে পড়ে চলাচলের অনুপযোগী পরিবেশ সৃষ্টি করেছে| দুর্গন্ধে পথচারীদের পাশাপাশি আশপাশের দোকানদাররাও চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন|
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, এটি আলমডাঙ্গা পৌরসভার অন্যতম ব্যস্ত ব্যবসাকেন্দ্র| দুর্গন্ধ ও কাদার কারণে অনেক ক্রেতাই দোকানে আসতে চাইছেন না| ফলে বিক্রি কমে গেছে| কাদা-মাটি মানুষের পায়ে লেগে দোকানের ভেতর পর্যন্ত চলে আসায় ব্যবসার পরিবেশ আরও নষ্ট হচ্ছে|
একাধিক ব্যবসায়ী বলেন, ড্রেন পরিষ্কার করা অবশ্যই ভালো উদ্যোগ| কিন্তু ময়লা দ্রুত অপসারণ না করায় আমরা চরম ক্ষতির মুখে পড়েছি| গত পাঁচ দিন ধরে দুর্গন্ধে এখানে দাঁড়ানোই কঠিন হয়ে গেছে|
এ বিষয়ে আলমডাঙ্গা পৌরসভার ইন্সপেক্টর মাহফুজুর রহমান বলেন, ড্রেন থেকে কাদা ও ময়লা তোলার পরপরই টানা বৃষ্টি শুরু হয়েছে| এতে কিছুটা জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে, বিষয়টি আমরা ¯^ীকার করছি| তবে আজ অথবা আগামীকালের মধ্যেই এগুলো পরিষ্কার করা হবে| স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত রাস্তার পাশে ফেলে রাখা ড্রেনের ময়লা ও কাদা-মাটি অপসারণ করে সড়কটি চলাচলের উপযোগী করার দাবি জানিয়েছেন| একই সঙ্গে ভবিষ্যতে ড্রেন পরিষ্কারের কাজ শেষে দ্রুত বর্জ্য অপসারণ এবং জনদুর্ভোগ এড়াতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান তারা|



