জীবননগর অফিস
জীবননগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আনোয়ার হোসেন খান খোকনের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইনে মানহানিকর, বানোয়াট ও মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করার প্রতিবাদে বিএনপির সভাপতি খোকন খান সংবাদ সম্মেলন করেছেন। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০ টায় জীবননগর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মঈন উদ্দিনের ব্যক্তিগত অফিসে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আনোয়ার হোসেন খান খোকন বলেন, জীবননগর এলাকায় অবস্থান না করেও বাংলা এডিশনের কথিত সাংবাদিক মোঃ শামীম হোসেন দীর্ঘ দিন ধরে আমাকে এবং আমার দলীয় নেতৃবৃন্দকে নানাভাবে হয়রানি ও উত্ত্যক্ত করে আসছে। সম্পূর্ণ উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে আমাকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য কোনরকম প্রমাণ ছাড়াই আমাকে চাঁদাবাজ হিসাবে আখ্যায়িত করেছে। তার নিকট আমার চাঁদাবাজির যথেষ্ট প্রমাণ আছে বলে দাবি করেছে। এছাড়াও টেন্ডার বাজি ও অন্যের জমি দখলেরও অভিযোগ এনেছে। আমি বিকাশের মাধ্যমে চাঁদার টাকা গ্রহণ করে থাকি বলে শামীম দাবি করেছে। বাস্তবে আমার কোন বিকাশ নেই।
সংবাদ সম্মেলনে আনোয়ার হোসেন খান খোকন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, শামীম হোসেন যদি আমার বিরুদ্ধে আনা চাঁদাবাজির একটি অভিযোগও সত্য বলে প্রমাণ করতে পারে, তবে আমার দল বিএনপি আমার বিষয়ে যে কোনো সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে আমি তা মাথা পেতে নিতে বাধ্য থাকবো। খোকন খান আরো বলেন, জীবননগর পৌর বিএনপির সভাপতি শাজাহান কবির, জীবননগর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ও উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ময়েন উদ্দিন, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব কামরুল ইসলাম, জীবননগর পৌর যুব দলের আহবায়ক হযরত আলী সরদার, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক জিল্লুর রহমান, যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম রব্বানী, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আল হাসান মোহাম্মদ আবু তালেব এ সব নেতাদের নাম, দলীয় পদ ও ছবি ব্যবহার করে চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতির পথ থেকে আমার অপসারণ চান এমন একটি মিথ্যা ও কাল্পনিক খবর প্রকাশ করেছে।
খোকন খান আরও বলেন, শামীম হোসেন জীবননগরের অবস্থান করাকালীন মাদক সেবন ও মাদক ব্যবসার সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিল। মাদকদ্রব্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী টাকা আটক করে এবং সে জেল হাজত বাস করে। শামীম হোসেন জীবননগর উপজেলা যুবদলের বহিষ্কৃত যুগ্ম আহ্বায়ক। উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ময়েন উদ্দিন বলেন, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অপরাধে জীবননগর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়কের পদ থেকে শামীম হোসেনকে দল বহিষ্কার করেছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাজাহান আলী, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মইনুদ্দিন ময়েন, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আলতাব হোসেন, সীমান্ত ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ওসমান গনি, মনোহরপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আমিনুল সরদার, হাসাদাহ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল আল মামুন, আন্দুলবাড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আতিয়ার রহমান, রায়পুর ইউনিয়ন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম, কেডিকে ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রবিউল আলম, বাঁকা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল বাসার, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আবু তালেব, কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক ছানোয়ার হোসেন সহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে জীবননগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি খোকন খানের সংবাদ সম্মেলন



