আলমডাঙ্গা অফিস
দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত চুয়াডাঙ্গার ঐতিহাসিক আলমডাঙ্গা রেলওয়ে স্টেশনের নিরাপত্তা ও সার্বিক পরিবেশের উন্নয়নে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে। আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদপ্রার্থী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং ‘চ্যানেল ডিও’র সম্মানিত চেয়ারম্যান মোহাঃ হাসিবুল হক (লিপু)-র সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে স্টেশনের প্রাথমিক সংস্কারের অংশ হিসেবে অত্যাধুনিক সিসিটিভি ক্যামেরা ও উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন আলোকবাতি (লাইট) স্থাপন করা হয়েছে। গতকাল রবিবার ২৮ জুলাই ২০২৬,ব রবিবার বেলা ১২টায় আনুষ্ঠানিকভাবে এই উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের নিকট হস্তান্তর করা হয়।
রেলওয়ের পক্ষে এই উন্নয়ন প্রকল্প ও সরঞ্জামাদি আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করেন বাংলাদেশ রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের টেলিকমিউনিকেশন বিভাগের সহকারী ইঞ্জিনিয়ার মোঃ কাইজার আহমেদ। এসময় আলমডাঙ্গা স্টেশনের স্টেশন মাস্টারসহ অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উদ্যোক্তা মোহাঃ হাসিবুল হক (লিপু)-র পক্ষে এই উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ হস্তান্তর করেন তাঁর সহোদর ও চ্যানেল ডিও’র চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার (সিইও) আবদুল্লাহ টিপু সুলতান, ডাইরেক্টর এডমিন আবির আনম এবং ডাইরেক্টর অপারেশন হাবিবুল করিম চঞ্চল। এ সময় ‘হাসিবুল হক লিপু সমর্থক গোষ্ঠী’র বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষী উপস্থিত ছিলেন। প্রকল্প হস্তান্তর অনুষ্ঠানে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, আলমডাঙ্গা একটি গুরুত্বপূর্ণ ও জনবহুল স্টেশন হওয়া সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে এটি নানা সমস্যায় অবহেলিত ছিল। বিশেষ করে রাতের বেলা পর্যাপ্ত আলোর অভাব এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘাটতির কারণে সাধারণ যাত্রী, বিশেষ করে নারী ও শিশুরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতেন। মোহাঃ হাসিবুল হক লিপু ভাইয়ের এই মহতী উদ্যোগের ফলে স্টেশনটি এখন সিসি ক্যামেরার আওতায় এলো এবং আলোর সুব্যবস্থা হলো। এর ফলে পকেটমার, ছিনতাইকারী ও সঙ্ঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের দৌরাত্ম্য বন্ধ হবে এবং স্টেশনে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড শূন্যের কোঠায় নেমে আসবে। বক্তারা এই মানবিক ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজের জন্য হাসিবুল হক লিপুর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
এদিকে স্টেশনের এই আধুনিক রূপান্তর ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করায় সাধারণ যাত্রী এবং স্থানীয় জনসাধারণের মাঝে ব্যাপক উচ্ছ্বাস ও আনন্দ দেখা গেছে। নিয়মিত যাতায়াতকারী বেশ কয়েকজন যাত্রী জানান, সিসি ক্যামেরা এবং পর্যাপ্ত লাইট স্থাপনের ফলে এখন আমরা পরিবার নিয়ে যেকোনো সময় নিরাপদ পরিবেশে ট্রেনে যাতায়াত করতে পারব। সরকারি বরাদ্দের আশা না করে একজন সমাজসেবক যেভাবে নিজস্ব অর্থায়নে এই কাজ করে দিয়েছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। সাধারণ যাত্রীরা এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং হাসিবুল হক লিপুর আগামী দিনের রাজনৈতিক ও সামাজিক কল্যাণের সর্বাঙ্গীন সাফল্য ও শুভকামনা জানান।
আলমডাঙ্গা রেল স্টেশনে হাসিবুল হক লিপু’র অর্থায়নে সিসি ক্যামেরা ও আলোকবাতি হস্তান্তর



