স্টাফ রিপোর্টার
দর্শনা আকন্দবাড়িয়া গ্রামে ‘মাদক কারবারী উচ্ছেদের’ নামে সংঘবদ্ধ হামলা, ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে ৮টি বাড়িতে হামলা চালানো হয়।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সংঘবদ্ধভাবে তাদের ৮টি বাড়িতে হামলা চালিয়ে তালা ভেঙে, গ্রিল কেটে ঘরে প্রবেশ করে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়। ওই সময় তারা প্রাণভয়ে ঘর ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হন। এ সময় নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কারসহ মালামাল লুট করে নিয়ে যাওয়া হয়। হামলার সময় কয়েকজন নারীকে শ্লীলতাহানি করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে রয়েছেন ইকরামুলের স্ত্রী পারভীনা, আলী আহমেদের ছেলে ইমাম, লাল মোহাম্মদের স্ত্রী হামিদা, নবী উদ্দিনের স্ত্রী হীরা, ওয়াসিম, লাল মোহাম্মদের ছেলে হামিদ, লুলু মণ্ডলের ছেলে ইসরাফিল এবং রবিউলের স্ত্রী রাশিদা।
অতীতে তারা কেউ কেউ অবৈধ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকলেও অনেক আগেই পুলিশ সুপারের কাছে মুচলেকা দিয়ে এসব কার্যক্রম থেকে সরে এসেছেন। তাদের দাবি, তুষার ও মুন্নার নেতৃত্বে কয়েকজন ব্যক্তি কয়েকদিন ধরে তাদের কাছে চাদা দাবি করে আসছিল। চাদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালানো হয়েছে। তাদের ভাষ্য, আমরা যদি অপরাধ করে থাকি, তাহলে পুলিশ এসে আমাদের গ্রেপ্তার করত, আদালতে বিচার হতো। বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে কিছু পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হতো।
অভিযোগের বিষয়ে তুষার ও মুন্না বলেন, গ্রামবাসী বহুবার নিষেধ করার পরও তারা অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছিল। পরে গ্রামবাসী একত্রিত হয়ে এ পদক্ষেপ নিয়েছে। আমাদের নেতৃত্বে এসব হয়েছে এ অভিযোগ সঠিক নয়।
এ ঘটনায় দর্শনা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। দর্শনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার সুযোগ কারও নেই।
দর্শনার আকন্দবাড়িয়ায় ৮ বাড়িতে ভাঙচুর-লুটপাটের অভিযোগ



