জীবননগর অফিস
জীবননগর উপজেলার হাসাদহ বাজারপাড়ার মেহেদী হাসান(৩৫) নামের এক যুবককে অপহরণ করে রশি দিয়ে বেঁধে মধ্যযূগীয় কায়দায় নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। পুলিশের সহযোগিতায় গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগীর পরিবার। ঘটনাটি গতকাল শুক্রবার সকাল ১০ টার দিকে সংঘটিত হয়েছে।
উপজেলার হাসাদহ বাজারপাড়ার ভুক্তভোগী মেহেদী হাসানের পিতা জসিম উদ্দিন জানান, শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে তার ছেলে মেহেদী হাসান হাসাদহ পনেরসতিপাড়া মাঠে জমি জায়গা দেখতে যান। সেখান থেকে বাড়ি ফেরার পথে হাসাদহ পনেরসতিপাড়া-সুটিয়া সড়কে কয়েকজন ব্যক্তি তার পথরোধ করে। এ ঘটনায় অভিযুক্তরা হচ্ছে- সুটিয়া গ্রামের সোহাগ হোসেন (৩৫),মাহফুজ হোসেন ২৫), সোহেল হোসেন(২৭), আরমান হোসেন (২০) এবং কন্দর্পপুর গ্রামের আহাদ দফাদার (২৭)।
অভিযোগে আরো বলা হয়,অভিযুক্তরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে মেহেদী হাসানকে মারধর করতে করতে সুটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় চত্বরে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে রশি দিয়ে বেঁধে হাতুড়ি, লোহার রড ও জিআই পাইপ দিয়ে মাথা, পিঠ ও পায়ে আঘাত করা হয়। এতে তিনি মারাত্মক ভাবে আহত হন। এ সময় পরিবারের লোকজন খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গেলে তাদের সেখানে যেতে বাধা দেয়া হয় বলে দাবি করা হয়েছে।
পরে স্থানীয় লোকজন জড়ো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে আহত অবস্থায় মেহেদী হাসানকে উদ্ধার করে জীবননগর হাসপাতালে ভর্তি করেন। মেহেদী হাসান বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ভুক্তভোগীর পরিবারের দাবি, অভিযুক্তরা মেহেদী হাসানের নিকট থাকা তার ব্যবহৃত একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোনসহ কাছে থাকা টাকা ছিনিয়ে নেয়। মেহেদী হাসান হাসপাতাল বেডে বর্তমানে যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছেন। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ ব্যাপারে হাসাদহ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ইউপি সদস্য আমিনুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,অভিযুক্ত যে,ঘটনা ঘটিয়েছে তা চরম বর্বরতা। আমরা ঘটনা টের না পেলে মেহেদী হাসানকে তারা মেরে ফেলতো।
জীবননগরে যুবককে অপহরণ করে নির্যাতনের অভিযোগ নগদ টাকা ও মোবাইল ছিনতাই



