স্টাফ রিপোর্টার
য়াডাঙ্গা পৌর এলাকার নূরনগর কলোনী পাড়া মসজিদে দোয়া করাকে কেন্দ্র করে মনজুর আলী (৫২) নামের এক বিএনপি কর্মীকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে জামায়াতে ইসলামীর কর্মীদের বিরুদ্ধে। গতকাল শুক্রবার জুমার নামাজের পর এ ঘটনা ঘটে। আহত মনজুর আলীকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহত মনজুর আলী নুরনগর কলোনীপাড়ার মৃত বাবর আলীর ছেলে।
তিনি অভিযোগ করেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত এবং দেশবাসীর কল্যাণ কামনায় ঘোষিত দোয়া কর্মসূচির অংশ হিসেবে স্থানীয় মসজিদে দোয়ার আয়োজনের জন্য ইমামকে অনুরোধ জানান তিনি। এরপরই স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর কর্মী মোস্তফা, বাবু, মজনু, খবা, শাহ আলম, ফজলু, ছলেমান, শিপন ও সাহাদতসহ কয়েকজন তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায় বলে দাবি করেন।
চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফ বলেন, খবর পেয়ে সদর হাসপাতালে গিয়ে আহত কর্মীর খোঁজখবর নিয়েছি। তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই জেলার বিভিন্ন স্থানে বিএনপির অফিস ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটছে। দোয়া কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে মনজুর আলীর ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।
অন্যদিকে জেলা জামায়াতে ইসলামীর প্রচার সম্পাদক মফিজ উদ্দিন বলেন, প্রথমে তাদের একজন কর্মীকে মারধর করা হয়। এর প্রতিবাদ করতে গিয়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে এবং বিএনপির ওই কর্মী সামান্য আহত হয়ে থাকতে পারেন। এ ঘটনার প্রতিবাদে স্থানীয় নারী-পুরুষ মানববন্ধন করেছেন। চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জুনিয়র সার্জারি কনসালটেন্ট ডা. এহসানুল হক তন্ময় জানান, মনজুর আলীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, কিল-ঘুষির আঘাতে এসব চিহ্ন হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, দোয়া কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে মসজিদের ভেতরে জামায়াত ও বিএনপির কর্মীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। একজন বিএনপি কর্মী আহত হয়েছেন। সেনাবাহিনীসহ পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নূররগর কলোনীপাড়া মসজিদে দোয়া করাকে কেন্দ্র করে বিএনপির কর্মীকে মারধরের অভিযোগ



