স্টাফ রিপোর্টার
কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) থেকে প্রতিবছর কতসংখ্যক শিক্ষার্থী সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরি পাচ্ছেন, তা নির্ণয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ ডাটাবেজ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। গতকাল বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের আইকিউএসি কনফারেন্স রুমে ‘ওহফঁংঃৎু-অপধফবসরধ ঈড়ষষধনড়ৎধঃরড়হ: ওংষধসরপ টহরাবৎংরঃু ইধহমষধফবংয চবৎংঢ়বপঃরাব শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথি ও রিসোর্স পারসন হিসেবে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ কথা জানান। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসিওরেন্স সেল (আইকিউএসি) কর্মশালাটির আয়োজন করে।
উপাচার্য বলেন, প্রতিবছর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করে বের হচ্ছেন। কিন্তু তারা পরবর্তীতে দেশের শ্রমবাজারে কোথায় এবং কীভাবে যুক্ত হচ্ছেন, সে বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে পর্যাপ্ত তথ্য নেই। তাই সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, পাবলিক সার্ভিস কমিশনসহ বিভিন্ন চাকরির ক্ষেত্রে ইবির শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের তথ্য সংগ্রহ করে ডাটাবেজ তৈরি করা হবে। “ডাটাবেজ যদি আমাদের থাকে, তাহলে আমরা বলতে পারব প্রতি বছর আমরা এটাকে ইনক্রিজ করছি কি না এবং শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের চিত্রটা তুলে ধরতে পারব।”
উপাচার্য বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব দক্ষ জনশক্তি তৈরি করা। শুধু তাত্ত্বিক শিক্ষা নয়, বর্তমান কর্মবাজারের চাহিদা অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের বাস্তব ও কর্মমুখী শিক্ষা দিতে হবে। শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পর্ক জোরদারের ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। এ লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (গড়ট) স্বাক্ষরের জন্য কমিটি গঠন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা গবেষণা, ইন্টার্নশিপ, চাকরির সুযোগ ও বাস্তব কর্মক্ষেত্রের অভিজ্ঞতা লাভ করবে বলে।
এ সময় তিনি সিভিল সার্ভিসে ইবির শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান। এরই অংশ হিসেবে লাইব্রেরিতে ‘জব কর্নার’ চালু করা হয়েছে। কর্মশালায় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এমতাজ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইদ্রিস আলী এবং আইকিউএসি পরিচালক অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ নাজিমুদ্দিনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় সভাপতি ও শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।


