এন.এন. সাহার পরিবারের সংবাদ সম্মেলনের প্রতিবাদ জানিয়ে প্রয়াত সিদ্দিক জামাল নান্টুর স্ত্রী মাহমুদা হকের বিবৃতি

স্টাফ রিপোর্টার
গত শুক্রবার ৭ই আগষ্ট ২০২৬ ইং সকালে চুয়াডাঙ্গা শহরের ফেরিঘাট সড়কস্থ সত্যনারায়ন মন্দিরের হল রুমে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন প্রয়াত এন. এন. সাহার পরিবারের সদস্যরা। আমি মাহমুদা হক, স্বামী-বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম সিদ্দিক জামাল নান্টু, ইমার্জেন্সি রোড পোষ্ট অফিসপাড়া চুয়াডাঙ্গা। আপনাদের সামনে প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরতে চাই। ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ বিপ্লবী সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে চুয়াডাঙ্গাকে অস্থায়ী রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করেন। অস্থায়ী রাজধানীর প্রশাসনের কাজের জন্যে একটি রাষ্ট্রীয় সীলমোহরের প্রয়োজন হয়। সেই সময় দক্ষিণ-পশ্চিম রণাঙ্গনের সর্বাধিনায়ক লেঃ কর্নেল (অবঃ) আবু ওসমান চৌধুরী তৎকালীন অস্থায়ী রাজধানীর সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের এবং ঐতিহাসিক ১১ দফা আন্দোলনের চুয়াডাঙ্গার ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের সিদ্দিক জামাল নান্টু অনেক চিন্তা-ভাবনা করে রাষ্ট্রীয় কাজের ব্যবহারের জন্যে একটি সীলমোহরটি নকশা প্রণয়ন করেন। এই সীলমোহরটি আবু ওসমান চৌধুরী ১৯৭১ সালের ৩রা এপ্রিল সকাল সাড়ে দশটায় একটি ডায়রীর পাতায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম সীলমোহরের ছাপ মেরে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্ধোধন করেন ।
এন.এন. সাহার পরিবারের দাবী সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। একজন পেশাদার ব্লক তৈরী কারীর পেশাই হচ্ছে ব্লক তৈরী করা। যেকোন ব্যক্তির নির্দেশ মোতাবেক ব্লক সরবরাহ করাই তার কাজ। সরবরাহকৃত মালের মালিক সে হতে পারে না। তাদের দাবী অযৌক্তিক এবং সম্পূর্ণ মিথ্যা। বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসকে মিথ্যা ও বিকৃত করার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ করছি। আমি এই সংবাদ সম্মেলনের প্রতিবাদ জানিয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, মন্ত্রী পরিষদ বিভাগ, স্থানীয় গণমাধ্যম, জেলা প্রশাসন ও সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
বিঃ দ্রঃ এই সীলমোহরের যাবতীয় কাগজপত্রের প্রমাণাদি আমার কাছে সংরক্ষিত আছে।

Leave a Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।