স্টাফ রিপোর্টার
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত চুয়াডাঙ্গায় বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। গতকাল শনিবার দুপুর ১২টায় চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনীতে সরাসরি কনফারেন্সে যুক্ত হয় জেলা প্রশাসন।
পরে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার। তিনি বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। উদ্বোধন শেষে সদর উপজেলা পরিষদ চত্বর ও জেলা পরিষদ চত্বরসহ বিভিন্ন স্থানে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়।
এসময় আরোও উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গার জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরিফুজ্জামান শরিফ, সিভিল সার্জন ডা. হাদী জিয়াউদ্দিন আহমেদ, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুকুল কুমার মৈত্র, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নয়ন কুমার রাজবংশী, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক শারমিন আক্তার, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মাসুদুর রহমান সরকার, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তিথি মিত্র, জেলা জাসাসের সাধারণ সম্পাদক সেলিমুল হাবিব সেলিম, চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাব সভাপতি নাজমুল হক স্বপন, সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম সনি, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহাজাহান খানসহ
বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
মেহেরপুর অফিস জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত বৃক্ষরোপন কর্মসূচির অংশ হিসেবে মেহেরপুরের গাংনীতে বৃক্ষ রোপন ও চারা বিতরণ করা হয়েছে। গতকাল শনিবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন গাংনী উপজেলা নির্বাহী অফিসার আনোয়ার হোসেন। উদ্বোধনকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার জানান, উপজেলা পরিষদ ৫০০টি, পৌরসভা ১০০০, প্রতিটি ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে ২০০টি করে গাছের চারা রোপন করা হয়। এছাড়াও প্রতিটি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় গাছের চারা রোপন করা হবে।
বৃক্ষরোপন ও চারা বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা কৃষি অফিসার মতিয়র রহমান, গাংনী থানার ওসি মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরী, গাংনী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলফাজ উদ্দীন কালু, সাধারণ সম্পাদক আওয়াল হোসেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আছাদুজ্জামান বাবলু, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী মাওলানা জাহার্ঙ্গী আলম ও গাংনী প্রেসক্লাবের সভাপতি তৌহিদ উদ দৌলা রেজাসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক শিক্ষার্থীবৃন্দ।
আলমডাঙ্গা অফিস জানিয়েছে, আলমডাঙ্গা উপজেলায় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। গতকাল শনিবার দুপুরে আলমডাঙ্গা উপজেলা পরিষদ চত্বরে পুকুরপাড় এলাকায় বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষের চারা রোপণের মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। এ সময় উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীনুর আক্তার, আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বানী ইসরাইল, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শারমিন আক্তার, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মাসুদ হোসেন পলাশ, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ মাহমুদ ,উপজেলা প্রকৌশলী তাওহিদ ইসলাম, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জিয়াউল হক, আলমডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আক্তার হোসেন জোয়ার্দার, সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম রোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন এবং সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা সেলিম রেজাসহ অন্যান্যরা। জাতীয় এ কর্মসূচির আওতায় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সড়কের পাশে এবং উন্মুক্ত স্থানে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়। কর্মসূচিতে প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্য এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন।
আলমডাঙ্গা অফিস আরো জানিয়েছে, আলমডাঙ্গা পৌরসভা এলাকায় ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। গতকাল দুপুর তিনটার দিকে পৌর জান্নাতুল বাকী মাদ্রাসা ও কবরস্থান এলাকায় গাছ লাগানো হয়। পৌরসভার উদ্যোগে পৌর এলাকার বিভিন্ন সড়ক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, খোলা জায়গা ও জনসমাগমস্থলে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হবে।
কর্মসূচিতে অংশ নেন আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক শাহীনুর আক্তার, আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বানী ইসরাইল, পৌর স্যানেটারি ইন্সপেক্টর মাহফুজ রানা,কর আদায়কারী মোস্তাক আহমেদ,অফিস সহায়ক হাফিজুর রহমান সহ কর্মকর্তা-কর্মচারী, জনপ্রতিনিধি, সামাজিক সংগঠনের সদস্য এবং স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা।
দামুড়হুদা অফিস জানিয়েছে, দামুড়হুদা উপজেলায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশব্যাপী এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, যিনি ভার্চুয়ালি কর্মসূচির শুভ সূচনা করেন। প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের ধারাবাহিকতায় গতকাল শনিবার দামুড়হুদা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ চত্বরসহ উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয় এবং পরিষদের সভা কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) শাহীন আলম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন, দামুড়হুদা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল হাসান তনু, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শারমিন আক্তার, উপজেলা স্বাস্থ্য প প কর্মকর্তা ডা. মোহাঃ মশিউর রহমান, দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার তদন্ত কর্মকর্তা সুলতান মাহমুদ,দর্শনা থানার অফিসার ইনচার্জ নজরুল ইসলাম, , যুগ্ম সম্পাদক মন্টু মিয়া,সাংগঠনিক সম্পাদক প্রভাষক আবুল হাশেম, সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব জাকির হোসেন,দামুড়হুদা প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক রকিবুল হাসান তোতাসহ উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে উপজেলা পরিষদ চত্বরে ফলজ ও বনজ গাছের চারা রোপণ করা হয়। পাশাপাশি উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণের জন্য গাছের চারা বিতরণ করা হয়। চারাগুলোর সুষ্ঠু সংরক্ষণ ও পরিচর্যার জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনাও প্রদান করা হয়।
এছাড়াও বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম যথাযথভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে কিনা তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরেজমিনে তদারকি ও পরিদর্শন করা হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা গাছের পরিচর্যা ও পরিবেশ সংরক্ষণে শিক্ষার্থীদের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। সরকারের ঘোষিত ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিকে সফল করতে সকলকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে বেশি বেশি গাছ লাগানোর পাশাপাশি সেগুলোর নিয়মিত পরিচর্যার আহ্বান জানান তারা।
বক্তারা আরও বলেন, একটি গাছ শুধু পরিবেশের জন্য নয়, মানবজীবনের জন্যও অমূল্য সম্পদ। তাই বৃক্ষরোপণকে সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করতে হবে। উপজেলা প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্থানীয়রা পরিবেশ সংরক্ষণ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে একটি সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
কার্পাসডাঙ্গায় ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল করিম বিশ্বাসের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচী অনুষ্ঠিত
কার্পাসডাঙ্গা প্রতিনিধি জানিয়েছে, কার্পাসডাঙ্গায় এক বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শনিবার বিকাল ৩টার সময় কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের বাস্তবায়নে ইউনিয়ন পরিষদ চত্বর এবং ইউনিয়নের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একযোগে এ চারা রোপণ ও বিতরণ কর্মসূচী পালন করা হয়। কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে গাছের চারা রোপণ ও বিতরণের মাধ্যমে এই কর্মসূচীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল করিম বিশ্বাস।০
উক্ত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচীতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সামসুল আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম টুটুল এবং কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি শাহীন আলম। কর্মসূচীতে আরও উপস্থিত ছিলেন কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো: শাহাবুবুর রহমান, প্যানেল চেয়ারম্যান সাজিবার রহমান, আলমগীর হোসেন, সুমিয়া খাতুন, মনিরুজ্জামান মন্টু মেম্বর, সিরাজুল ইসলাম, বিল্লাল হোসেন, মাহবুর রহমান, আ: রাজ্জাক, আ: সালাম, নুর মোহাম্মদ ভগু, আনেহার খাতুন এবং দেলোয়ারা খাতুন। অনুষ্ঠানে কার্পাসডাঙ্গা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মামুন অর রশীদ ও রনি, ইউনিয়ন পরিষদের হিসাব রক্ষক কাম কম্পিউটার অপারেটর মনিরা খাতুন, উদ্যোক্তা হারুন, হীরা খাতুন, ওমেদুল, প্রদীপ বিশ্বাসসহ কার্পাসডাঙ্গার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনকালে বক্তারা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় সরকারি এই মহৎ উদ্যোগকে সফল করতে সর্বস্তরের জনগণকে বেশি বেশি গাছ লাগানোর আহ্বান জানান। ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয় পর্যায়ক্রমে ইউনিয়নের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই চারা বিতরণ ও রোপণ কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করা হবে।
দর্শনা অফিস জানিয়েছে, গতকাল শনিবার দুপুরে দর্শনা পৌর চত্বরে নানা কর্মসুচীর মাধ্যমে এ কর্মসুচীর উদ্বোধন করা। সরকারের এই মহতী উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক ভূমিকা রাখবে। বৃক্ষ শুধু পরিবেশের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে না, বরং মানুষের জীবন ও জীবিকার সঙ্গে জড়িত। জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই।এই কর্মসূচি অংশ হিসাবে দর্শনা পৌরসভার উদ্যোগে দর্শনার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্টানের চত্বরে নানা প্রজাতির বনজী ও ফলজী গাছের চারা রোপণ হয়।সেই সাথে প্রধান প্রধান সড়কের পাশে খালি যায়গায় বৃক্ষ রোপন করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম সাবু,পৌর বি এন পি সমন্বয়ক মাহাবুবুর ইসলাম খোকন,যুবনেতা জাহান আলী,দর্শনা পৌরসভার প্রধান সহকারী শাহ আলম, কর নির্ধারক জাহিদুল ইসলাম, লাইন্সেস পরিদর্শক মমিনুল ইসলাম, টিকাদান সুপারভাইজার আব্দুল মজিদ,সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জীবননগর অফিস জানিয়েছে, জীবননগর উপজেলার কেডিকে ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণ ও কাশিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শনিবার দুপুর ১২টার দিকে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। গাছ লাগান, পরিবেশ বাঁচান” এবং “বৃক্ষরোপণ করি, পরিবেশ সুন্দর করি এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত কর্মসূচিতে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজায়নের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। বক্তারা বলেন, দেশব্যাপী ঘোষিত ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নে সকলকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেডিকে ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মিঠুন চন্দ্র শাহ, বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিউল আলিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহফুজুর রহমান, আব্দুস শুকুর, মিলন শাহ, মজিবর রহমান, সাবেক ইউপি সদস্য অমিদুল ইসলাম, হালিম বিশ্বাস, সামাদ এবং নাজমুল দফাদার।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ওলামা বিভাগের সভাপতি মাওলানা আব্দুস সাত্তার, কেডিকে ইউনিয়ন পরিষদের সচিব শাহিন মোল্লা, আশাদুল হক, কাশিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম, সহকারী শিক্ষক আনোয়ার হোসেন, মোস্তফা কামাল ও সাইদুর রহমান।
বক্তারা বলেন, দুই মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করতে হবে। বাড়ির আঙিনা, বসতভিটা, রাস্তার পাশ এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের খালি জায়গায় বেশি বেশি গাছ লাগানোর আহ্বান জানান তারা। পরিবেশের সুরক্ষা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই বলেও উল্লেখ করা হয়। পরে অতিথিরা কেডিকে ইউনিয়ন পরিষদ চত্বর ও কাশিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করেন।
দেশব্যাপী ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে চুয়াডাঙ্গায় বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন, ফলজ-বনজ চারা রোপণ



