স্টাফ রিপোর্টার
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সারাদেশে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সরকার কঠোর বিধিনিষেধ জারি করলেও চুয়াডাঙ্গায় তা মানা হচ্ছে না।
সরজমিনে দেখা গেছে, চুয়াডাঙ্গা কলেজ রোড এলাকায় অবস্থিত বিভিন্ন দোকানপাট, ফুডের দোকানসহ সরকারি-বেসরকারি কয়েকটি প্রতিষ্ঠান সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গেই আলোকসজ্জায় সজ্জিত হচ্ছে। বিশেষ করে চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ সংলগ্ন এলাকায় অতিরিক্ত লাইটিং ও আলোকসজ্জার ব্যবহার লক্ষ করা যায়, যা বিদ্যুতের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারের স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও অনেক ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠান এ নির্দেশনা উপেক্ষা করে রমরমা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। এতে একদিকে যেমন বিদ্যুৎ অপচয় হচ্ছে, অন্যদিকে সামগ্রিক বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় চাপ তৈরি হচ্ছে।
এদিকে, দেশে চলমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সম্প্রতি সরকার সামাজিক অনুষ্ঠান, বিশেষ করে বিয়ে ও অন্যান্য আয়োজনের ক্ষেত্রে আলোকসজ্জার ওপর পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। পাশাপাশি বিদ্যুৎ ব্যবহারের চাপ কমাতে সরকারি ও বেসরকারি অফিসের কর্মঘণ্টাও পুননির্ধারন করা হয়েছে। জরুরী সেবা বাদে সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বন্ধ করার সিন্ধান্ত দেয়া হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি জানান, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে জ্বালানি সাশ্রয়কে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। এ লক্ষ্যে গৃহীত নির্দেশনাগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে কঠোরভাবে তা মেনে চলার আহ্বান জানান তিনি।
জ্বালানি সংকটের মধ্যেও চুয়াডাঙ্গায় আলোকসজ্জা



