স্টাফ রিপোর্টার
চুয়াডাঙ্গায় চামড়া সংরক্ষণে বিসিকের দেয়া লবনের মান খুব নিন্মমানের। এই লবন দিয়ে চামড়া সংরক্ষণ কোন মতেই সম্ভব হবে না বলে অভিযোগ মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের।
প্রতিবছরের ন্যায় এইবারও পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে চামড়া সংরক্ষণের জন্য সরকার কর্তৃক বিনামূল্যে লবন সরবরাহ করা হয়। জেলার ৪ উপজেলার প্রায় অর্ধশত মাদ্রাসা, এতিমখানা ও লিল্লা বোডিং এর প্রতিনিধিদের কাছে লবন দেয়া হয়। গত উন্নয়ন সম্বন্বয় কমিটির সভায় বিসিকের উপ-পরিচালক জেলায় ৪৫ মেট্রিক টন লবনের বরাদ্দ পাওয়া গেছে বলে জানান।
সেই মোতাবেক গত দুই দিনে মাদ্রাসা ও এতিমখানার প্রতিনিধিদের কাছে লবন দেয়া হয়। নাম প্রকাশে অনুউচ্ছুক এক এতিমখানার সুপার বলেন, আমার এখানে বিসিক থেকে ১৭ বস্তা লবন দেয়া হয়েছে। কোন বস্তা ৪০ কেজি ও কোন বস্তা ৩৭ কেজি ওজন হবে। তবে লবনের মান খুব নিন্মমানের। এ লবন দিয়ে কোন মতেই চামড়া ছাগল-গরুর চামড়া সংরক্ষণ করা যাবে না। তাহরে এলবন নিয়ে আমরা কি করব প্রশ্ন ওই শিক্ষকের। এখন লবন নিয়ে আমরা সবাই বেকায়দায় পড়ে গেছি। না পারব চামড়া সংরক্ষণ করতে, না পারব লবন ফেলে দিতে।
এ ব্যাপারে চুয়াডাঙ্গা বিসিকের উপ-পরিচালক আসাদুজ্জামানের সাথে মোবাইল ফোন দিলে তার ফোন নং বন্ধ পাওয়া যায়। সেই কারনে এ বিষয়ে তার কোন মতামত জানা যায়নি।
চুয়াডাঙ্গায় চামড়া সংরক্ষণে বিসিকের দেয়া লবণ নিন্মমানের!



