জীবননগর অফিস
জীবননগরে তেল জাতীয় ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের আওতায় কৃষক- কৃষাণীদের মাঠ দিবস ও কারিগরি আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জীবননগর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে মঙ্গলবার বিকালে মনোহরপুর গ্রামের শিমুলতলা ঈদগাদ ময়দানে এই মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন তেল জাতীয় ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের মনিটরিং অফিসার হাসান আলী।
এসময় তিনি বলেন, বাংলাদেশ দানা জাতীয় খাদ্যশস্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হলেও মসলা জাতীয় খাদ্যে এখনো আমদানি নির্ভর। প্রতিবছর বিদেশ থেকে বিভিন্ন মসলা এখনো আমদানি করতে হয়।তবে আমাদের কৃষি গবেষণা ইনিস্টিউট কয়েকটি মসলার উন্নত জাত উদ্ভাবন করেছে যেটা উৎপাদন করলে আমাদের আর আমদানি করা লাগবে না। তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালে আমাদের ৭ লক্ষ মেট্রিক টন মসলা আমদানি করতে হয়েছে। গত বছরে মাত্র ৭২ হাজার মেট্রিক টন মসলা আমদানি হয়েছে। আমাদের দেশে এখন মসলার আবাদ বৃদ্ধি পেয়েছে। আশা করছি আমাদের আর আমদানি নির্ভর হতে হবে না।
মাঠ দিবস অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জীবননগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন।
সভাপতিত্বের বক্তব্যে তিনি বলেন, মসলার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ একটি মসলা হলো পেঁয়াজ। পেঁয়াজ এখন শুধু মসলা নয় সবজি হিসেবেও ব্যবহার করা হয়। নাসিক এন-৫৩ জাতের একটি গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ চাষ করে জীবননগরের অনেক চাষি সফল হচ্ছে। জীবননগরে এখন বিভিন্ন ফলের চাষ হচ্ছে। ফল বাগানের ফাঁকা যায়গায় বিভিন্ন মসলার চাষ করা যেতে পারে।এতে নিজেদের পারিবারিক চাহিদা পূরণ করে বাজারে বিক্রি করা সম্ভব।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা পাভেল রানা, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সামাউল হক, ইয়াছিন আলী, নুরুজ্জামান, কৃষক প্রতিনিধি সাইফুল ইসলাম, রাজেদুল ইসলাম ও আশরাফুল ইসলাম। মাঠ দিবস অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট ব্লকের অর্ধ শতাধিক কৃষক-কৃষাণীর উপস্থিত ছিলেন।
জীবননগরে তেল জাতীয় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি লক্ষ্যে মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত



