স্টাফ রিপোর্টার
চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর জেলার সাংবাদিকদের জন্য প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) কর্তৃক ‘নির্বাচনকালীন সাংবাদিকতা’ বিষয়ক দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ সমাপ্ত হয়েছে। প্রশিক্ষণে চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর জেলার প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন গণমাধ্যমে কর্মরত প্রায় ৫০ জন সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের মধ্যে সরদপত্র প্রদান করা হয়।
সনদপত্র প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, আমরা একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে চাই। ভোটাররা উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিবেন এবং অনিয়ম বা জাল ভোটের ক্ষেত্রে প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করবে। একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে সাংবাদিকদের ভূমিকা অপরিসীম। তারা দায়িত্বশীল ও নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে দেশবাসীর কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।উদ্বোধনী দিনে গত বুধবার ইউল্যাবের শিক্ষক ও সাংবাদিক নাজিয়া আফরিন মনামী নির্বাচনী সাংবাদিকতার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। আলোচনার মধ্যে ছিল নির্বাচনকালীন আচরণবিধি, সংবাদ সংগ্রহে নিরাপত্তা, ভুয়া তথ্য ও গুজব প্রতিরোধ, রাজনৈতিক দলের সমান গুরুত্ব প্রদান এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে দায়বদ্ধ প্রতিবেদন প্রণয়নের বিষয়। কর্মশালার দ্বিতীয় দিনে গতকাল বৃহস্পতিবার সমাপনী অধিবেশনে প্রশিক্ষক ছিলেন ঢাকা মেইলের নির্বাহী সম্পাদক হারুন জামিল।

প্রশিক্ষণ প্রদানকালে তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে তথ্যপ্রযুক্তির কারণে গুজব দ্রুত ছড়ায়। জনগণ সত্য জানতে গণমাধ্যমের দিকে তাকায়। এই আস্থার মর্যাদা রক্ষার জন্য সাংবাদিকদের প্রতিটি সংবাদ যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই করা জরুরি। বিশেষ করে নির্বাচনকালীন সময়ে ভুল সংবাদ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারে। তাই নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা চর্চা করতে হবে।
দুই দিনের প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকদের হাতে পিআইবি’র পক্ষ থেকে সনদপত্র প্রদান করা হয়। সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি নাজমুল হক স্বপন, সাধারন সম্পাদক শাহ আলম সনি ও পিআইবির কর্মকর্তাবৃন্দ।



