সাইদুর রহমান, দামুড়হুদা
দামুড়হুদা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী জয়রামপুর রেলওয়ে স্টেশনকে আরও কার্যকর ও আধুনিক করার দাবিতে ৮ দফা দাবি উত্থাপন করে মানববন্ধন করা হয়েছে। গতকাল শনিবার বিকাল ৫টার সময় দামুড়হুদা উপজেলার সর্বস্তরের জনগণ ও জয়রামপুর গ্রামবাসীর আয়োজনে এই মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। জয়রামপুর রেলওয়ে স্টেশনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় জনগণের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে এসব দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জানানো হয়েছে।
দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে জয়রামপুর রেলওয়ে স্টেশনে সাগরদাঁড়ি ও কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস আন্তঃনগর ট্রেনের বিরতি দিতে হবে। স্টেশন মাস্টারসহ স্টেশনের প্রয়োজনীয় লোকবল পুনর্বহাল করতে হবে। লুপ লাইন এবং টিকিটিং ব্যবস্থা চালু করতে হবে। এ ছাড়া স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম আধুনিকীকরণ, অবকাঠামোগত সংস্কার ও উন্নয়ন করতে হবে। ব্রিটিশ আমলে নির্মিত স্টেশনের ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা জরাজীর্ণ ও পরিত্যক্ত হওয়ায় একই নকশায় নতুন করে হলঘর নির্মাণ করার দাবি জানানো হয়েছে।
দাবির মধ্যে আরও রয়েছে, পোড়াদহ-গোয়ালন্দঘাট রুটে চলাচলকারী শাটল ট্রেনটি দর্শনা পর্যন্ত বর্ধিত করতে হবে এবং লোকাল ট্রেনের সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি লোকাল ট্রেনের বগি সংখ্যা বাড়াতে হবে। সর্বশেষ দাবিতে বলা হয়েছে, নতুন সংযোজন পরিকল্পনায় দর্শনা-চুয়াডাঙ্গা রুটের সকল ট্রেনকে জয়রামপুর স্টেশনকে রুটের অন্তর্ভুক্ত রেখে জয়রামপুর স্টেশনে স্টপেজ দিতে হবে।
চুয়াডাঙ্গা রেলওয়ের প্রকৌশলী সাইদুর রহমান ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে ৮দফা দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন। এসময় রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ট্রেনটিকে ৫ মিনিট থামিয়ে মানববন্ধনকারীরা ৮ দফা দাবি পেশ করেন। আন্দোলনকারীরা রেল কতৃপক্ষের আশ্বাস পেয়ে খুবই অল্প সময়ের মধ্যে ট্রেনটিকে আবার ছেড়ে দেওয়া হয়। মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, হাউলী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইউসুফ আলী, সাধারণ সম্পাদক নাফিজ আক্তার সিদ্দিকী, পিয়ার আলী, দামুড়হুদা যুবদলের আহবায়ক কমিটির সদস্য মমিনুল ইসলাম, ডাবলু, লাজিব আক্তার সিদ্দিকীসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ।
৮ দফা দাবিতে ট্রেন থামিয়ে জয়রামপুর রেলওয়ে স্টেশনে এলাকাবাসীর মানববন্ধন



