স্টাফ রিপোর্টার
চুয়াডাঙ্গা জেলা শহরের বিভিন্ন জ্বালানি তেলের পাম্পে সকাল থেকেই গ্রাহকদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে| দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও চাহিদামতো তেল না পাওয়ায় সাধারণ মানুষ ও পরিবহন চালকদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে| সেই সাথে কৃষকরা চাহিদা মত ডিজেল তেল না পেয়েও তাদের কপালে পড়েছে চিন্তার ভাঁজ|
সরেজমিনে চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার একাধিক ফিলিং স্টেশন ঘুরে দেখা যায়, মোটরসাইকেল এবং ব্যক্তিগত যানবাহনের সারি পাম্পের সীমানা ছাড়িয়ে প্রধান সড়কে কয়েকশ গজ পর্যন্ত দীর্ঘ হয়েছে| ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করার পর অনেকে কাঙি&ক্ষত জ্বালানি তেল সংগ্রহ করতে পারছেন| আবার অনেককে ফিরে যেতে হচ্ছে খালি হাতে|
পাম্পে তেল নিতে আসা মোটরসাইকেল চালক তারিকুল ইসলাম বলেন, সেই সকাল সাড়ে ছয়টার সময় এসে দাঁড়িয়েছি লাইনে| এখন দুপুর ১২ টা বাজে, তেল পেতে এখনো ঘন্টাখানেক লাগবে| তেল নিতে আসা মোটরসাইকেল চালক আমিনুল ইসলাম বলেন, অনেক সাধারন মানুষ জরুরী সেবার লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিচ্ছে| যে কারণে আমাদের তেল নিতে এত সময় লাগছে| জরুরি সেবার লাইনটি সঠিকভাবে তদারকি করা হলে আমরা আরো আগে তেল পেতাম| শুনছি পাম্পে অকটেন তেল শেষ, কতক্ষণ পেট্রোল থাকবে আমাদের সঠিক জানা নেই| তেল পাব কিনা তাও জানিনা|
পরিবহন চালকদের অভিযোগ, সরবরাহ সংকটের কথা বলে অনেক পাম্প থেকে পর্যাপ্ত তেল দেওয়া হচ্ছে না| এতে করে গণপরিবহন ও কৃষিকাজে ব্যবহৃত সেচ যন্ত্রের মালিকরা বিপাকে পড়েছেন| এদিকে অনেক ট্রাক্টর চালকরা বলছেন, তেল সংকটে সামনের মৌসুমে জমি চাষ করতে না পারলে কৃষকরা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হবে| আমরা পাম্পে এসে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি| আমাদের কাঙি&ক্ষত তেল না পেলে আমরা জমি চাষ করতে পারব না| এ বিষয়ে পাম্প কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বললে তারা জানান, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে| সরবরাহ ¯^াভাবিক হলে দ্রুতই এই দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি কমে আসবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন|
বুধবার ১ লাখ ৭০ হাজার লিটার জ্বালানী তেল সরবরাহের পরও তেল সংকটচুয়াডাঙ্গায় ফুয়েল স্টেশনগুলোতে গ্রাহকদের লাইন, তেল নিতে দূর্ভোগ চরমে



