ডিঙ্গেদহ প্রতিনিধি
চুয়াডাঙ্গার ডিঙ্গেদহে টাকা পাওনা নিয়ে সালিশ শুরুর আগেই প্রতিপক্ষের আঘাতে শংকরচন্দ্রের আলিমদ্দীন( ৫০) নিহত হয়েছে বলে পরিবারের সদস্যরা দাবি করেছেন । গতকাল শুক্রবার রাত ৮ টার দিকে ডিঙ্গেদহ বাজারে মর্মান্তিক এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশ ২ জনকে আটক করেছে।
জানা গেছে, কয়েক বছর আগে সদর উপজেলার শংকরচন্দ্র গ্রামের মৃত রসুল ফকিরের ছেলে জিয়াউর রহমানের নিকট হতে একই গ্রামের লিয়াকত আলীর ছেলে আরিফ ব্যবসায়ে খাটানোর জন্য ১৫ লাখ টাকা ধার নেয়। টাকা ফেরত চাইলে কয়েক দফা পরিশোধের সময় নেওয়ার এক পর্যায়ে পরিবারের জোগসাজোসে আরিফ পালিয়ে যায়। এর পর আবারো কয়েক দফা পরিবারের কাছে টাকা চাইলে তারা টাকা না দিয়ে টাল বাহানা শুরু করে।
গতকাল শুক্রবার রাত আটটার দিকে জিয়াউর রহমান ও তার পরিবারের লোকজন টাকার পরিশোধের জন্য পলাতক আরিফের ছেলেকে শংকরচন্দ্র ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মহিউল আলম সুজনের ব্যাক্তিগত কার্যালয়ে নিয়ে আসেন। চেয়ারম্যান উভয় পক্ষের সাথে আপোষ মিমাংসার জন্য বসবেন বলে অপেক্ষা করতে বলেন।
এক পর্যায়ে পলাতক আরিফের পিতা লিয়াকত, আরিফের ছোট ভাই আল-আমিনসহ অন্যরা মিলে জিয়াউর রহমানের চাচা শংকরচন্দ্র গ্রামের আলিমদ্দীন (৫০) এর সাথে বাকবিতন্ডায় জড়ায়। উভয়ের মধ্যে ধ্বস্তাধস্তি হয়। এতে আলিমদ্দীন বুকে আঘাত পেলে উপস্থিত লোকজন হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষনা করেন। ঘটনার পর পরেই স্হানীয় জনগণ লিয়াকত ও তার স্ত্রী জেসমিন খাতুনকে আটকে রাখে। খবর পেয়ে সরোজগঞ্জ পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।
পরে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মিজানুর রহমান ঘটনাস্থলে পৌঁছে লিয়াকত ও তার স্ত্রীকে আটক করে থানায় নেয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।



