বুধবার ১ লাখ ৭০ হাজার লিটার জ্বালানী তেল সরবরাহের পরও তেল সংকটচুয়াডাঙ্গায় ফুয়েল স্টেশনগুলোতে গ্রাহকদের লাইন, তেল নিতে দূর্ভোগ চরমে

স্টাফ রিপোর্টার
চুয়াডাঙ্গা জেলা শহরের বিভিন্ন জ্বালানি তেলের পাম্পে সকাল থেকেই গ্রাহকদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে| দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও চাহিদামতো তেল না পাওয়ায় সাধারণ মানুষ ও পরিবহন চালকদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে| সেই সাথে কৃষকরা চাহিদা মত ডিজেল তেল না পেয়েও তাদের কপালে পড়েছে চিন্তার ভাঁজ|
সরেজমিনে চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার একাধিক ফিলিং স্টেশন ঘুরে দেখা যায়, মোটরসাইকেল এবং ব্যক্তিগত যানবাহনের সারি পাম্পের সীমানা ছাড়িয়ে প্রধান সড়কে কয়েকশ গজ পর্যন্ত দীর্ঘ হয়েছে| ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করার পর অনেকে কাঙি&ক্ষত জ্বালানি তেল সংগ্রহ করতে পারছেন| আবার অনেককে ফিরে যেতে হচ্ছে খালি হাতে|
পাম্পে তেল নিতে আসা মোটরসাইকেল চালক তারিকুল ইসলাম বলেন, সেই সকাল সাড়ে ছয়টার সময় এসে দাঁড়িয়েছি লাইনে| এখন দুপুর ১২ টা বাজে, তেল পেতে এখনো ঘন্টাখানেক লাগবে| তেল নিতে আসা মোটরসাইকেল চালক আমিনুল ইসলাম বলেন, অনেক সাধারন মানুষ জরুরী সেবার লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিচ্ছে| যে কারণে আমাদের তেল নিতে এত সময় লাগছে| জরুরি সেবার লাইনটি সঠিকভাবে তদারকি করা হলে আমরা আরো আগে তেল পেতাম| শুনছি পাম্পে অকটেন তেল শেষ, কতক্ষণ পেট্রোল থাকবে আমাদের সঠিক জানা নেই| তেল পাব কিনা তাও জানিনা|
পরিবহন চালকদের অভিযোগ, সরবরাহ সংকটের কথা বলে অনেক পাম্প থেকে পর্যাপ্ত তেল দেওয়া হচ্ছে না| এতে করে গণপরিবহন ও কৃষিকাজে ব্যবহৃত সেচ যন্ত্রের মালিকরা বিপাকে পড়েছেন| এদিকে অনেক ট্রাক্টর চালকরা বলছেন, তেল সংকটে সামনের মৌসুমে জমি চাষ করতে না পারলে কৃষকরা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হবে| আমরা পাম্পে এসে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি| আমাদের কাঙি&ক্ষত তেল না পেলে আমরা জমি চাষ করতে পারব না| এ বিষয়ে পাম্প কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বললে তারা জানান, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে| সরবরাহ ¯^াভাবিক হলে দ্রুতই এই দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি কমে আসবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন|

Leave a Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।