সাংবাদিক পরিচয়ে আলমডাঙ্গা কৃষি অফিসে চাঁদাবাজির অপচেষ্টা!

আলমডাঙ্গা অফিস
সাংবাদিক পরিচয়ে আলমডাঙ্গা উপজেলা কৃষি অফিসে চাঁদাবাজির চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় স্থানীয় সাংবাদিকদের রোষানলে পড়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি মুচলেকা দিয়েছেন মুক্তি পায়। গতকাল রবিবার দুপুর ১টার দিকে উপজেলা কৃষি অফিস প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত মিয়াদুল ইসলাম নিজেকে জাতীয় দৈনিক রূপালী বাংলাদেশের উপজেলা প্রতিনিধি এবং চুয়াডাঙ্গা থেকে প্রকাশিত একটি স্থানীয় দৈনিকের স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে পরিচয় দেন। তবে তিনি সংশ্লিষ্ট কোনো পত্রিকার বৈধ পরিচয়পত্র দেখাতে পারেননি।
কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, কয়েক দিন আগে মিয়াদুল ইসলাম গাংনী উপজেলার একটি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক পরিচয়ে আলমডাঙ্গা কৃষি অফিসে একটি লিখিত আবেদন দেন। ওই আবেদনে তিনি কোনো পত্রিকার নাম উল্লেখ না করে কৃষকদের মাঝে বিতরণ করা বিভিন্ন প্রণোদনার তথ্য চান। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তারা স্থানীয় সাংবাদিকদের অবহিত করেন।
পরে আলমডাঙ্গা উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁর পরিচয় জানতে চাইলে তিনি বিভিন্ন অজুহাত দিতে থাকেন। একপর্যায়ে তাঁর পরিচয়পত্র যাচাই করতে চাইলে তা দেখাতে ব্যর্থ হন। পরে তিনি নিজের ভুল স্বীকার করে মুচলেকা দেন।
গাংনী উপজেলার কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, মিয়াদুল ইসলাম প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গন্ডি পার হননি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর তিনি গাংনী উপজেলা প্রেসক্লাব দখল করে একটি নামমাত্র কমিটি গঠন করেন এবং নিজেকে সাধারণ সম্পাদক দাবি করেন। প্রেসক্লাবের নাম ব্যবহার করে তিনি চুয়াডাঙ্গা, আলমডাঙ্গা, মেহেরপুর, গাংনী ও কুষ্টিয়ার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে গিয়ে চাঁদাবাজি করে থাকেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে পেশাদার সাংবাদিকদের সুনাম ক্ষুন্ন হচ্ছে।

Leave a Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।