আনসারবাড়ীয়া রেলওয়ে স্টেশন পুর্নাঙ্গভাবে চালুর জন্য চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান

আন্দুলবাড়িয়া প্রতিনিধি


চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার আনসার বাড়িয়া রেলস্টেশন পুর্নাঙ্গভাবে চালু, ঢাকা-খুলনা ও খুলনা-রাজশাহীগামী ২টি আন্ত:নগর আপ-ডাউন ট্রেনের যাত্রা বিরতির দাবীতে গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের রেলপথ মন্ত্রনালয়ের সচিব ও চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি দেয়া হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার এলাকার সচেতন নাগরিক সমাজের পক্ষে এ স্মারকলিপি দেয়া হয়। চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর উপজেলার আন্দুলবাড়িয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা দাবী করে নিম্ন স্বাক্ষরকারী গন স্মারকলিপিতে বলেন, এলাকার ঐতিহ্যবাহী আনসারবাড়িয়া রেলস্টেশনটি দীর্ঘদিন যাবত অবহেলিত ও উন্নয়ন বঞ্চিত। কৃষি প্রধান এ এলাকায় প্রধান ফসল ধান, ভুট্টা, মাল্টা, পেয়ারা, কলা, ড্রাগন ও নানা সবজি ও ফল দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করা হয়। বাংলাদেশের মধ্যে জীবননগর উপজেলা কৃষি উৎপাদন পুষ্টির যোগানদাতা হিসাবে সুনাম রয়েছে। এ এলাকার সড়ক যোগযোগ ব্যবস্থা না থাকায় কৃষিপূর্ণ ও দরিদ্র জনগনের যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম রেলপথ নির্ভর। আনসারবাড়িয়া স্টেশনের মাধ্যমে এ এলাকার জনগন দেশের বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করে থাকে। সিডিউল অনুয়ায়ী স্টেশনটিতে মাত্র ৬টি লোকাল ট্রেনের যাত্রা বিরতি রয়েছে। দীর্ঘদিন স্টেশন মাষ্টার ও লোকবল না থাকায় ট্রেনগুলো স্টেশনের প্লাট বা লুপ লাইনে যাত্রাবিরতি না করে মেইল লাইনে যাত্রাবিরতি করে। ফলে ব্রডগেজ ট্রেনের উচ্চতা বেশী হওয়ায় নারী, শিশু, বয়স্ক নারী, পুরুষ ও অসুস্থ রোগীদের ট্রেনে উঠতে ও নামতে দুর্ভোগ ও দুর্ঘটনার শিকার হতে হচ্ছে। খুলনা রেলপথের আনসারবাড়িয়া স্টেশন থেকে রাজশাহী, নাটোর, পার্বতীপুর, কুষ্টিয়া, ফরিদপুর, ঢাকা, যশোর ও খুলনা অভিমুখে ট্রেন চলাচল করে। উক্ত ট্রেনে যাত্রী সাধারনের পাশাপাশি কৃষিপুর্ণ পরিবহন হয়ে থাকে। এ স্টেশনের পাশেই রয়েছে একটি বৃহৎ কলার হাট। এ হাট থেকে প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ট্রেনযোগে বিপুল পরিমান কলা ও অন্যান ফল ট্রেন মাধ্যমে পরিবহন করা হয়। অবিলম্বে স্টেশন মাষ্টার ও লোকবল নিয়োগ দিয়ে জনগনের সুবিধার্থে প্লাটফরমে ট্রেনের যাত্রা বিরতি দেয়া হলে মালামাল পরিবহন ও যাত্রী সাধারনের গন দুর্ভোগ থেকে রক্ষা পাবে। এ স্টেশনটিতে রাজস্ব আয় সন্তোষ জনক বলে স্বাক্ষরদতাগন দাবী করেন। কর্তৃপক্ষের সদয় অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করার জন্য কৃষিপুণ্য, নারী, শিশু, বয়স্ক ও রোগী নিরাপদে ট্রেনে উঠানামা ও পরিবহনের লক্ষ্যে যাত্রা বিরতি ট্রেন গুলো প্লটফরম দিয়ে যাতাযাত, রেল স্টেশনে ৩জন মাষ্টার ও লোকবল নিয়োগ দিয়ে রেলস্টেনটি পুনাঙ্গ চালু, ঢাকা-খুলনা, খুলনা, রাজশাহীগামী আন্ত:নগর ২টি আপ, ডাউন ট্রেনের যাত্রা বিরতি দেয়ার জন্য স্বাক্ষরদাতাগন অনুরোধ জানান। এলাকার সচেতন নাগরিক সমাজের পক্ষে স্মারকলিপিতে স্বাক্ষরদাতাগন হলেন, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন খান খোকন, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সাখাওয়াত হোসেন, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আতিয়ার রহমান, সাধারন সম্পাদক আজিম খান, ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির হারু অর রশীদ ও সেক্রেটারী হাসিবুল ইসলাম।

Leave a Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।