স্টাফ রিপোর্টার
আলমডাঙ্গায় মাদকবিরোধী পৃথক অভিযান ও ওয়ারেন্ট তামিল অভিযানে আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে ইয়াবাসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আরও পাঁচজনকে নিজ নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ১৭ সেপ্টেম্বর রাত ১০টার দিকে আসমানখালী পুলিশ ক্যাম্পের এসআই আব্দুস সবুর সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে শেখপাড়া উত্তরপাড়ায় অভিযান চালান। এ সময় একটি পাকা রাস্তার ওপর থেকে ১৭ বছর বয়সী মো. রিফাতুল ইসলামকে ১৫টি ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আটক করা হয়। উদ্ধার ইয়াবার আনুমানিক মূল্য ৪ হাজার ৫০০ টাকা।
অন্যদিকে, ১৮ সেপ্টেম্বর রাত ১২টার দিকে পাইকপাড়া পুলিশ ক্যাম্পের এসআই ওয়াহিদুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে কালিদাশপুর রেলগেটের উত্তর পাশে চক্ষু হাসপাতাল রোডসংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. আলামিন হককে আটক করেন। তার কাছ থেকে একটি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এর আনুমানিক মূল্য ৩৫০ টাকা।
এ ছাড়া ১৭ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫টার দিকে আলমডাঙ্গা থানার এসআই নাসির উদ্দিন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে শিয়ালমারী উত্তরপাড়ায় অভিযান চালিয়ে মো. রানা হোসেনকে গ্রেপ্তার করেন। পুলিশের দাবি, তার কাছ থেকে দুটি বেঞ্চ, দুটি লোহার ফ্রেম ও দুটি কাঠের পাটাতন উদ্ধার করা হয়েছে, যার আনুমানিক মূল্য ৮ হাজার টাকা।
অন্যদিকে, আলমডাঙ্গা থানা ও বিভিন্ন পুলিশ ক্যাম্পের পৃথক অভিযানে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত পলাতক পাঁচ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেন—ফুলবগাদী গ্রামের মো. গোলাম রসুল (৫০), চিৎলা গ্রামের মো. সিদ্দিক আলী (৫৪), তিয়রবিলা (পাইকপাড়া) গ্রামের মো. হাসিবুল ইসলাম (৩২), আলমডাঙ্গা স্টেশনপাড়ার মোছা. মায়া খাতুন (২৭) এবং চিৎলা গ্রামের মোছা. নাজমিন খাতুন (৫০)।
পুলিশ জানায়, আলামিন হক ও রানা হোসেনকে তাৎক্ষণিক বিচারের জন্য সামারি ট্রায়াল কোর্টে পাঠানো হয়েছে। আইনের সঙ্গে সংঘাতে জড়িত শিশু রিফাতুল ইসলামের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করা হয়েছে। এ ছাড়া পরোয়ানাভুক্ত পাঁচ আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
আলমডাঙ্গায় মাদক ও পরোয়ানাভুক্ত আসামিসহ গ্রেপ্তার ৮



