খন্দকার শাহ আলম মন্টু, আলমডাঙ্গা
আলমডাঙ্গা উপজেলার ১৪ নম্বর চিৎলা ইউনিয়নের হঠাৎপাড়ার গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই সড়কের বিভিন্ন স্থানে হাঁটুপানি জমে সৃষ্টি হচ্ছে জলাবদ্ধতা। পানি-কাদায় দুর্ভোগে পড়ছেন পথচারী, শিক্ষার্থী, কৃষকসহ স্থানীয় বাসিন্দারা। দীর্ঘদিনেও সড়কটি সংস্কার ও পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা না হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে এলাকাবাসীর মধ্যে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, হঠাৎপাড়ার হেয়ারিং সড়কের বিভিন্ন অংশে বৃষ্টির পানি জমে রয়েছে। কোথাও কোথাও সড়কের ওপর কাদাপানি জমে থাকায় স্বাভাবিকভাবে চলাচল করা কঠিন হয়ে পড়েছে। পানি নিষ্কাশনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টি থেমে গেলেও দীর্ঘ সময় ধরে সড়কে পানি জমে থাকছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, হঠাৎপাড়াসহ আশপাশের এলাকার মানুষের দৈনন্দিন চলাচলের জন্য সড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষার্থীরা এ পথ দিয়ে বিদ্যালয় ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াত করে। কৃষকেরা কৃষিজমিতে যাতায়াত এবং উৎপাদিত ফসল পরিবহনের জন্যও সড়কটি ব্যবহার করেন। এ ছাড়া মসজিদ, মাদ্রাসা ও কবরস্থানে যাতায়াতের ক্ষেত্রেও স্থানীয়দের এই সড়কের ওপর নির্ভর করতে হয়।
স্থানীয়দের ভাষ্য, শুষ্ক মৌসুমে কোনোভাবে চলাচল করা গেলেও বর্ষা মৌসুমে দুর্ভোগ চরমে ওঠে। সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কে হাঁটুপানি জমে যাওয়ায় শিশু ও বয়স্কদের চলাচলে বেশি ভোগান্তি পোহাতে হয়। অনেক সময় পথচারীদের পানি-কাদা মাড়িয়ে চলাচল করতে হয়। এতে দুর্ঘটনার আশঙ্কাও তৈরি হচ্ছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, সড়কটির বেহাল অবস্থার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও দীর্ঘদিনেও স্থায়ী সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে একই দুর্ভোগের পুনরাবৃত্তি হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, শুধু সাময়িকভাবে মেরামত করে নয়, সড়কটির স্থায়ী সংস্কারের পাশাপাশি পানি নিষ্কাশনের জন্য কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা করতে হবে।
এলাকাবাসী দ্রুত সড়কটি সংস্কার ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে জনসাধারণের চলাচল নির্বিঘ্ন করার দাবি জানিয়েছেন। তাদের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত সরেজমিনে পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।
চিৎলার হঠাৎপাড়ায় বৃষ্টি হলেই হাঁটুপানি, দুর্ভোগে এলাকাবাসী



