স্টাফ রিপোর্টার
চুয়াডাঙ্গা জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। চুয়াডাঙ্গা জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সভায় জানুয়ারী থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত তিন মাসে বারের আয় হয়েছে ৪৭ লাখ ৩৩ হাজার ৯০৮ টাকা এবং ব্যয় হয়েছে ৩০ লাখ ১৭ হাজার ৭৪৪ টাকা।
সভায় বেলবন্ডে ২০ টাকার স্টীকার লাগানোর সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও জজ কোর্টের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মারুফ সারোয়ার বাবুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সাধারণ সভা সমিতির সেক্রেটারী খন্দকার অহিদুল আলম মানি সঞ্চালনা করেন। পবিত্র কোরআন থেকে তেলওয়াত করেন সাঈদ মাহমুদ শামীম রেজা ডালিম। সভায় সিনিয়র আইনজীবী মোসলেম উদ্দিন, এসএম রফিউর রহমান, সেলিম উদ্দিন খান, এস.এম আসাদুজ্জামান গণি সালাম, আব্দুস সামাদ, শহিদুল হক (২), সাঈদ মাহমুদ শামীম রেজা ডালিম, সৈয়দ হেদায়েত হোসেন আসলাম, আসম আব্দুর রউফ, মইন উদ্দিন মইনুল, নাজমুল হাসান লাভলু, আবু তালেব বিশ্বাস, মোসলেম উদ্দিন (২), মো. আসাদুজ্জামান, তসলিম উদ্দিন ফিরোজ ও মোকলেছুর রহমান প্রমুখ আলোচনায় অংশগ্রহন করেন।
সভায় বারের সভাপতি মারুফ সারোয়ার বাবু বলেন, বেলবন্ডে ২০ টাকা মূল্যের স্টীকার লাগানো হবে। ম্যাজিস্ট্রেট এর কাছে এফিডেফিটে ওকালতানামা কত টাকা হবে সেটি পরে ঠিক করা হবে। ক্যান্টিন, কম্পিউটার দোকান ও টিনশেড নির্মাণ বারের অর্থে হবে না। প্রতিযোগীতার মাধ্যমে বরাদ্দ দেয়া হবে। কোন লোকের নাম মনোনীত করে নাম দেয়া হবে না। বার ভবন ও চীফ জুডিসিয়াল আদালত ভবন নির্মাণের বিষয়ে আগামী মে মাসে সিনিয়র আইনজীবী সেলিম উদ্দিন খান ও আব্দুস সামাদকে সাথে নিয়ে মন্ত্রণালয়ে যাবো। নিয়মিত ও অনিয়মিত সদস্যের বিষয়ে আপনারা গোপনে নাম জমা দেবেন এবং আমরা নির্বাহী কমিটি আলোচনা করে সাধারণ সভায় উপস্থাপন করবো। সদস্য পদ হারানো কাজী শামসুল হক জুয়েলের বিষয়ে সদস্য পদ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে এবং আইনজীবী জাভেদ ইকবালকে এখনই সদস্য পদ দেয়া হবে না। যদি জাভেদ ইকবাল বারে এসে আগামী ৬ মাস উপস্থিতির কার্যক্রম সন্তোষজনক দেখাতে পারেন তাহলে আগামীতে বিবেচনা করা হবে।
চুয়াডাঙ্গা জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সভা অনুষ্ঠিতবেলবন্ডে ২০ টাকার স্টীকার লাগানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ



