দর্শনা অফিস
দর্শনা বালিকা বিদ্যালয়ের শহীদ মিনারে আপত্তিকর সামগ্রী রেখে ছবি তুলে ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত চার কিশোর অনুতপ্ত হয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করেছে। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, শিক্ষক, অভিভাবক ও সমাজসেবকদের উদ্যোগে তাদের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার থানা চত্বর এলাকায় সকল গন্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে তাদেরকে শেষবারের মত সংশোধনের সুযোগ দেয়া হয়।
দর্শনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান জানান, অভিযুক্তদের মধ্যে দুজন নাবালক এবং দুজন এসএসসি পরীক্ষার্থী। তিনি বলেন, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, শিক্ষক ও অভিভাবকদের অনুরোধে এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে প্রথমবারের মতো তাদের মুচলেকা নিয়ে সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা এ্যাডভোকেট শহিদুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ মজনুর রহমান, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার হাফিজুল আলম, দর্শনা পৌর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ফজলুল হক, দর্শনা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি শফিকুল ইসলাম সাবু তরফদার, দর্শনা পৌর বিএনপির সমন্বয় কমিটির সদস্য- হাবিবুর রহমান বুলেট, মাহাবুবউল ইসলাম খোকন, শরিফ উদ্দিন, নাহারুল ইসলাম, দর্শনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান সুমন, সাংবাদিক সমিতির সভাপতি আওয়াল হোসেন, সাংবাদিক- আহসান হাবীব মামুন, দর্শনা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষক হাফিজুর রহমান, মেমনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক আশরাফুল ইসলাম, সাংবাদিক ইমতিয়াজ আহমেদ রয়েল, সুকমল চন্দ্র দাস বাধন, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা কমিটির আহ্বায়ক তানভীর অনিক, যুগ্ম আহ্বায়ক আবিদ হাসান রিফাত, দর্শনা সাংস্কৃতিক সংসদের সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন, সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিত্ব- রাশেদ মল্লিক।
উল্লেখ্য, গত সোমবার (৩০ মার্চ) দর্শনা বালিকা বিদ্যালয়ের শহীদ মিনারে আপত্তিকর সামগ্রী রেখে ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয় এবং বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পুলিশকে অবহিত করে।
দর্শনায় শহীদ মিনারে আপত্তিকর কান্ডে চার কিশোর মুচলেকায় ছাড়া



