জীবননগর মাধবখালী গ্রামে কবরস্থানের গেট নির্মাণকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আহত ১০

জীবননগর অফিস
জীবননগর মাধবখালী গ্রামে কবরস্থানের গেট নির্মাণকে কেন্দ্র করে দুপাড়ার মধ্যে সংঘর্ষে ১০ জন আহত হয়েছে। এক জনকে আশংকা জনক অবস্থায় যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। গ্রামে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। ঘটনাটি মাগরিবের নামাজের পর ঘটে। মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক হায়দার আলী জানান, মাধবখালী গ্রামের মন্ডল পাড়া ও খান পাড়া মাঝে গ্রামের মসজিদ। মসজিদ কমিটির সভাপতি হিসেবে দীর্ঘদিন নূর ইসলামের পুত্র মনিরুল ইসলাম এক রকম জোর করেই দায়িত্ব পালন করেন। দীর্ঘদিন তার উপর মানুষ অখুশি ছিলো কিন্তু ভয়ে কিছু বলতো না। বললেই মারামারি লাগতো। পট পরিবর্তনের পর নতুন করে মসজিদ কমিটি গঠন করা হয়েছে। এর ফলে মনিরুল গংরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। মসজিদের সাথে মন্ডল পাড়ার কবরস্থান। গতকাল সোমবার কবরস্থানের গেট নির্মাণের জন্য কাজ শুরু করা হয়। এ কারণে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে মনিরুল গ্রুপ। তারা বিকাল গালাগালি করতে থাকে। সন্ধ্যার পর শুরু হয় হাতাহাতি মারামারি। ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় ১০ জন আহত হয়েছে। লিখন (১৮) পিতা আশরাফুল ইসলাম ও মৃত মওলা বক্সেরে পুত্র খান জাহান খান(৪৫) মারাত্নক আহত হয়েছে। আহতরা হচ্ছেন রোজিনা (৪২) স্বামী আব্দুল হান্নান, নাজমা(৫০) পিতা নুর ইসলাম, তৃষ্ণা(৩২) স্বামী স্বপন, জেরিন(১৭) মাতা-নাজমা, উকিল(৫০) পিতা-আব্দুল কাদের, সামাদ(৫২) পিতা-ইদ্রীস আলী, দূর্জয়(২৫) পিতা- ফকির বিশ্বাস, মান্নান (৩৮) পিতা- আজিম উদ্দিন। মন্ডলপাড়ার নাজমা খাতুন জানান, খান পাড়া ও মন্ডল পাড়ার মাঝ খানে মসজিদ। মসজিদের সীমানা প্রাচীর ভেঙ্গে কবরস্থানের গেট করা হচ্ছে। গেটে নাম দেওয়া হবে খান পাড়া। গেটে এক পাড়ার নাম দেওয়ার কারণে মারামারি হয়েছে।
জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সর কর্তব্যরত ডাক্তার জানান, খান জাহান খান(৪৫) নামের রুগির অবস্থা খারাপ হওয়ায় তাকে যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।
জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ সোলায়মান শেখ এর সাথে কথা বললে তিনি জানান, গ্রামের পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক আছে। কোন পক্ষই থানায় কোন অভিযোগ করেনি।

Leave a Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।