কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের নির্ধারিত কর্মঘণ্টা নিশ্চিতের আহ্বান ভাইস চ্যান্সেলরের

স্টাফ রিপোর্টার
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম সুষ্ঠু ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের নির্ধারিত কর্মঘণ্টা এবং দাপ্তরিক সময়সূচি যথাযথভাবে অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছেন কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ কে এম. মতিনুর রহমান। গতকাল মঙ্গলবার ভাইস চ্যান্সেলরের কনফারেন্স রুমে বিভাগীয় সভাপতি ও বিভিন্ন বিভাগের অফিস প্রধানদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন।
সভায় ভাইস চ্যান্সেলর বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় একটি শিক্ষালয়। এখানে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য নির্দিষ্ট কর্মঘণ্টা, ক্লাস সূচি এবং দাপ্তরিক সময়সূচি রয়েছে। নির্ধারিত সময়ের পরিবর্তে ইচ্ছেমতো অফিসে আসা-যাওয়া কিংবা ক্লাসে উপস্থিতির ক্ষেত্রে অনিয়ম হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে। তিনি জানান, নির্ধারিত সময়ে ক্লাসে কিছু শিক্ষকের উপস্থিতি না পাওয়ার বিষয়ে তার কাছে তথ্য রয়েছে। শিক্ষার্থীরা যদি নির্ধারিত সময়ে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষককে না পান, তাহলে শিক্ষা কার্যক্রম প্রত্যাশিতভাবে এগিয়ে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে নিজ নিজ বিভাগের শিক্ষকদের নির্ধারিত সময়সূচি অনুসরণের বিষয়টি নিশ্চিত করতে বিভাগীয় সভাপতিদের প্রতি নির্দেশনা দেন তিনি।
একই সঙ্গে তিনি কর্মকর্তাদের নির্ধারিত অফিস সিডিউলের মধ্যে থেকে প্রতিদিনের দাপ্তরিক কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশ দেন। যারা এটি করছে না, এক্ষেত্রে তিনি কঠোর হবার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেন। মতবিনিময় সভায় ভাইস চ্যান্সেলর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও একাডেমিক পরিবেশ উন্নয়নে নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন। এর মধ্যে চীনা ভাষা চালুর উদ্যোগ, শিল্প ও শিক্ষার মধ্যে সংযোগ স্থাপনের কার্যক্রম এবং ক্যাম্পাসে ক্যারিয়ার হাব প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের বিষয় উল্লেখ করেন তিনি।
মাদকের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথাও উল্লেখ করেন ভাইস চ্যান্সেলর। একই সঙ্গে শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টদের বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুসরণ করে ছুটি গ্রহণের আহ্বান জানান।
মতবিনিময় সভায় আরও বক্তব্য দেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এমতাজ হোসেন, ট্রেজারার প্রফেসর ড. ইদ্রিস আলী এবং ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. আতিকুর রহমান। সভায় বিভিন্ন বিভাগের সভাপতি ও অফিস প্রধানরা নিজ নিজ দপ্তরের কার্যক্রম, সমস্যা ও প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে তুলে ধরেন।

Leave a Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।