বখতিয়ার হোসেন, ডিঙ্গেদহ প্রতিনিধি
শংকরচন্দ্র ইউনিয়ন পরিষদ সচিবের অফিস কক্ষে টেবিলের উপর রাখা মোবাইল সচিবের সামনে থেকে অভিনব কৌশলে নিয়ে প্রতারক চম্পট দিয়েছেন| বুধবার দুপুর ১ টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার শংকরচন্দ্র ইউনিয়ন পরিষদের সচিবের অফিস কক্ষে ঘটনাটি ঘটে|
শংকরচন্দ্র ইউনিয়ন পরিষদের ২ নং ওয়ার্ড এর সদস্য মোঃ জাফর আলী বলেন, দুপুর ১২ টার দিকে সচিবের কক্ষের সামনে আমরা কয়েকজন দাঁড়িয়ে গল্প করছিলাম| হঠাৎ একটি লোক মাথায় টুপি ও মুখে মাস্ক পরা অবস্থায় সচিব সাহেবের রুমে প্রবেশ করে| অল্প কিছুক্ষণের মধ্যে ঐ ব্যক্তি রুম থেকে বের হয়ে সোজা চত্ত্বর ছেড়ে চলে যায়| কিছুক্ষণ পরে শুনছি সচিব সাহেবের মোবাইল হারিয়ে গেছে|
ইউপি সচিব মোঃ আলমগীর হোসেন বলেন, আমি অফিসে বসে কম্পিউটারে কাজ করছিলাম হঠাৎ ৩০ বছর বয়সী এক ব্যক্তি মাথায় টুপি ও মুখে মাস্ক পরা অবস্থায় রুমে ঢুকে একটি কাগজ টেবিলের উপর রাখে, কাগজে বাক প্রতিবন্ধী হিসেবে সাহায্যের জন্য লেখা ছিল| আমি তাকে চেয়ারম্যান সাহেবে নিকট যাওয়ার জন্য পরামর্শ দেই| তারপর ঐ ব্যক্তি টেবিলের উপর রাখা তার কাগজগুলো নিয়ে রুম থেকে বের হয়ে যায়| ১০/১২ মিনিট পর আমার মটরলা কোম্পানির টাচ মোবাইলটি খুজে না পেয়ে ইউপি চেয়ারম্যান মহিউল আলম সুজন সাহেবকে বললে তিনি সিসি টিভি ক্যামেরা ফুটেজ দেখার পরামর্শ দেন| ইউনিয়ন পরিষদের সিসি টিভি ক্যামেরা ফুটেজে দেখা যায় প্রতিবন্ধী হিসেবে সাহায্যের আবেদন নিয়ে আসা ব্যাক্তিটি তার হাতে থাকা কাগজগুলো টেবিলের উপর রাখা আমার মোবাইলের উপরে রাখে, আমি চেয়ারম্যান সাহেবের রুমে যেতে পরামর্শ দেওয়ার পর সে তার কাগজ পত্রের সাথে আমার মোবাইলটাও প্রতারণা করে নিয়ে যায়| মোবাইলটির মধ্যে ০১৭১২ ৯৫০২৭৬ না¤^ারের সিম সেট করা ছিল এই না¤^ারে ফোন দিয়ে বন্ধ পাওয়া যায়|
শংকরচন্দ্র ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মহিউল আলম সুজন বলেন ফোনটি হারানোর খবর শুনে আমি সিসি টিভি ক্যামেরা ফুটেজ দেখি এবং প্রতারককে খুঁজে বের করার জন্য চারদিকে লোক পাঠায়| কিন্তু তাকে আর পাওয়া যায়নি|
শংকরচন্দ্র ইউপি সচিবের অফিস কক্ষে টেবিলের উপর থেকে সচিবের সামনেই তার মোবাইল নিয়ে এক প্রতারকের চম্পট



