চুয়াডাঙ্গায় নবনির্বাচিত দুই এমপিকে জেলা আইনজীবী সমিতির সংবর্ধনা প্রদান রাজস্ব বৃদ্ধি, দরপত্রে স্বচ্ছতা ও অবকাঠামো উন্নয়নের ঘোষণা

স্টাফ রিপোর্টার
চুয়াডাঙ্গা জেলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে নবাগত সংসদ সদস্যদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। গতকাল সোমবার বিকেলে জেলা আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে এ সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। চুয়াডাঙ্গা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাড. মারুফ সারোয়ার বাবু’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাড. মাসুদ পারভেজ রাসেল ও চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. রুহুল আমিনকে ফুলেল সংবর্ধনা ও ক্রেস্ট উপহার দেয়া হয়। জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. খন্দকার অহিদুল আলম মানি খন্দকারের সঞ্চালনায় সংবর্ধনা সভায় পবিত্র কোরআন থেকে তেলওযাত করেন বারের সহ-সভাপতি অ্যাড. আকসিজুল ইসলাম রতন। সভায়  নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর এমএম শাহজাহান মুকুল, সাবেক সভাপতি সেলিম উদ্দিন খান ও সিনিয়র আইনজীবী আব্দুস সামাদ বক্তব্য রাখেন। এসময় অতিথিদ্বয়কে ফুল দিয়ে সংবর্ধনা জানান বারের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আফরোজা আক্তার ও লাইব্রেরী সম্পাদক রুবিনা পারভিন। চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য মাসুদ পারভেজ রাসেলকে সংবর্ধনার ক্রেস্ট তুলে দেন বারের সেক্রেটারী খন্দকার অহিদুল আলম মানি ও চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য রুহুল আমিনকে ক্রেস্ট তুলে দেন বারের সভাপতি মারুফ সারোয়ার বাবু । এসময়, সরকারি কৌশুলী (জিপি) আব্দুল খালেক,  সিনিয়র আইনজীবী মোসলেম উদ্দিন,  নুরুল ইসলাম, সৈয়দ হেদায়েদ হোসেন আসলাম, আ.স.ম. আব্দুর রউফ এবং নির্বাহী কমিটির নেতৃবৃন্দ এবং জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সংবর্ধনা সভায় অ্যাড. মাসুদ পারভেজ রাসেল এমপি বলেন, ‘জনগণ আমাকে নির্বাচিত করেছেন, আপনারা   আমাকে নির্বাচিত করেছেন। আমাদের দায়িত্ব দিয়েছেন। আমি আপনাদের  ভাই বা সন্তান। আমি সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই। আপনারা যে কথাগুলো বলেছেন, সেই কথাগুলো আমরা বলেছি। রাস্তা-ঘাট, হাসপাতালের উন্নয়ন ও বাইপাস সড়কের নকশা আমাদের কাছে আছে। আপনাদের সহযোগিতা নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই। আপনারা বুদ্ধি পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করবেন।’
সংবর্ধনা সভায় মো.রুহুল আমিন এমপি বলেন, ‘এপর্যন্ত সরকারকে ১৫ কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ে করে দিয়েছি। দরপত্রে কোন নিকো হবে না। সব দপ্তরের সাথে কথা বলেছি। আমরা দুর্নীতি করবো না, আপনারা দুর্নীতি করবেন না।  আমরা বসন্তের কোকিল না। আপনারা যেসব দেখেন, আমরাও সেসব দেখি। সরকারি অফিসগুলোর কি অবস্থা আমাদের সব মুখস্থ। আমরা এ জায়গাগুলো সঠিকভাবে কাজ করতে চাই। ৩৭০ টি মসজিদকে ৩ লাখ করে টাকা দেয়া হবে। তবে, যে সব মসজিদে টাইলস ও এসি আছে তারা পাবে না। যাদের অবস্থা খুবই খারাপ সেই সকল মসজিদে এ টাকা দেয়া হবে। কোনটা আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জামায়াত নামাজ পড়ে এটা আমাদের বিবেচ্য বিষয় নয়। সামনে আরো বাজেট পাবো। কোন রাস্তা কাঁচা থাকবে না। যে টাকা বরাদ্দ হবে সেই টাকার কাজ হবে। বড়কিছু করলে করতে হবে। কোন ধান্ধা করতে হবে এমন কোন পরিকল্পনা নেই। যে উন্নয়নের কথা বলেছেন সেটা হবে। এ অঞ্চলের মানুষ শান্তি চাই। আমাদের বড় কিছু চাওয়ার নেই। আমরা যেন শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারি এ দোয়া করবেন। ’

Leave a Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।