চুয়াডাঙ্গা শিশু-কিশোর সাঁতার প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে নির্ধারিত ফি দিয়ে ভর্তি হলো জেলা প্রশাসকের ছেলে-মেয়ে

স্টাফ রিপোর্টার
চুয়াডাঙ্গা শিশু-কিশোর সাঁতার প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে নির্ধারিত ফি দিয়ে ভর্তি হলো  চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক (ডিসি) লুৎফুন নাহারের ছেলে-মেয়ে। একইসাথে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) আলাউদ্দিন আল আজাদ সাঁতার প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ভর্তি হলেন।
নিজের সন্তানদের ভর্তি করিয়ে সুইমিং পুলে নামার আগে জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার চুয়াডাঙ্গা জেলার সকল অভিভাবকদের  উদ্দেশে সাঁতারের গুরুত্ব নিয়ে বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, “নদীমাতৃক বাংলাদেশে সাঁতার শুধু পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির জন্যই নয়, জীবন রক্ষার জন্যও সাঁতার অপরিহার্য। “আপনাদের সন্তানকে যত লেখাপড়াই করান না কেন, সাঁতার না শিখলে সেই লেখাপড়ার কোনো মূল্য নেই। আমরা সবাই সেই অশিক্ষিত মাঝি এবং মেঘ-মেদুর দিনে শিক্ষিত ভদ্রলোকের নৌকায় নদী পার হওয়ার গল্পটি জানি। উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হওয়া সত্ত্বেও সাঁতার না জানাই জীবনের ষোল আনাই যে মাটি সেই প্রাগৈতিহাসিক গল্পের কথা আমরা ভুলে যাইনি।” খরচের একটি বাস্তবমুখী তুলনা টেনে জেলা প্রশাসক আরও বলেন, “আমরা আমাদের সন্তানদের লেখা-পড়া শেখানোর জন্য প্রতি মাসে গৃহশিক্ষক বা কোচিং শিক্ষককে ১ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত দিয়ে থাকি। কিন্তু নিজেদের সন্তানের জীবনের সুরক্ষায় এক মাসে মাত্র ১ হাজার ৫০০ টাকা ব্যয় করলেই এই গুরুত্বপূর্ণ জলক্রীড়াটি শেখা হয়ে যায়। মাত্র এক বা দুই মাসেই একটি শিশু পুরোপুরি সাঁতার শিখে নিতে পারে।”

Leave a Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।