পাট শিল্প গড়ে তুলুন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করুন এই প্রতিপাদ্যে চুয়াডাঙ্গায় জাতীয় পাট দিবস উদযাপন

স্টাফ রিপোর্টার
‘পাট শিল্প গড়ে তুলুন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করুন’ এই প্রতিপাদ্যে চুয়াডাঙ্গায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদযাপন করা হয়েছে জাতীয় পাট দিবস। দিবসটি উপলক্ষে গতকাল শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০ টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি কোর্ট মোড় ঘুরে একই স্থানে এসে শেষ হয়। জেলা প্রশাসন ও পাট অধিদপ্তর যৌথভাবে দিবসটির আয়োজন করে।
পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক  (সার্বিক) নয়ন কুমার রাজবংশী। প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন। সহকারী কমিশনার আশফাকুর রহমানের সঞ্চালনায় সভায় অধ্যাপক সিদ্দিকুর রহমান, সাংবাদিক সমিতির সভাপতি রফিকুল ইসলাম, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম সনি, জেলা দোকান মালিক সমিতি আহবায়ক মঞ্জুরুল আরম মালিক লার্জ,  কৃষক সাইদুর রহমান, ব্যবসায়ী আল আমিন, ছাত্রী মাইশা মালিহা বক্তব্য রাখেন।  সভায় পাট কর্মকর্তা আব্দুর রহিম সিদ্দিকী স্বাগত বক্তব্য রাখেন। স্বাগত বক্তব্যে বলেন, উন্নত প্রযৃক্তি বিস্তার পাট ও পাটবীজ সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায়  জেলায় ১২ হাজার কৃষককে ১ বিঘা করে পাটবীজ প্রদান করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, ‘বাজারে সমসাময়িক দামে পাওয়া যায় সেই দামে চালের বস্তা দিতে হবে। পাটের সোনালী অতীত হারিয়ে ফেলেছি। এটাকে ফিরিয়ে আনতে হলে গবেষণা করতে হবে। পাট উৎপাদন হচ্ছে। গবেষণা নেই। চেষ্টাও নেই। এ সেক্টরে অনেক সুযোগ আছে। পাট যদি ইউকে ও ইউএসএ তৈরী হতো তাহলে তারা ভালো ভালো জিনিষ উৎপাদন করতো। পাশাপাশি সোনালী আঁশের হবেষণা করে প্রযুক্তি দিয়ে ভালো জিনিষ করতে পারতো।  অধিকাংশ স্টুডেন্টরা লেখাপড়া ছেড়ে দিয়েছ্ ে তার কোন স্বপ্ন নেই। আমাদের প্রযুক্তি নিতে হবে।  সন্ধ্যার পরে সন্তনরা  পড়ালেখা করবে।   আমাদের সঠিক জনগোষ্ঠি আছে। তাদের দক্ষতা করতে পারলেই উন্নতি। পাটের নানানমুখি ব্যবহার বাড়বে তখন চাষ বাড়বে। পাটজাত পণ্য নেই। লাভ না হলে কৃষকরা উদপাদন করবে কেন। পাট গবেষণা কেন্দ্র কি করে ? পাটের বস্তা ছাড়া আর কিছু তৈরী করে ? গবেষণা নেই, লেখাপড়া নেই। পাটের ব্যবহার বাড়াতে পারলে পাটের অভিযোগ থাকবে না।’

Leave a Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।