স্টাফ রিপোর্টার
চুয়াডাঙ্গায় যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’। শনিবার সকাল ১০টায় জেলা বিএনপির আয়োজনে চুয়াডাঙ্গা সাহিত্য পরিষদ চত্বরে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, আলোচনা সভা ও শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।
এ উপলক্ষে অনুষ্ঠানের শুরুতে সকালে সাহিত্য পরিষদ চত্বরে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। জাতীয় সংগীতের তালে তালে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল পিটু ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করেন সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ মিল্টন। পতাকা উত্তোলন শেষে সকাল সাড়ে ১০টায় সাহিত্য পরিষদের হলরুমে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সফিকুল ইসলাম পিটুর সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় ভিডিও কনফারেন্স এর মাধ্যমে সিঙ্গাপুর থেকে নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বিপ্লব ও সংহতি দিবস সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক শরিফুজ্জামান শরীফ।
আলোচনা সভায় বক্তারা ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বরের প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। তাঁরা উল্লেখ করেন, ১৯৭৫ সালের এই দিনে সিপাহী-জনতার অভূতপূর্ব বিপ্লব দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে রক্ষা করেছিল। নেতৃবৃন্দ তাঁদের বক্তব্যে আরোও বলেন, আজকের তরুণ ও নতুন প্রজন্মের কাছে ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বরের প্রকৃত ইতিহাস পৌঁছে দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ়করণ এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এই দিবসের শিক্ষা ও চেতনা চিরকাল অনুপ্রেরণা জুগিয়ে যাবে।
আলোচনা সভা শেষে সাহিত্য পরিষদ প্রাঙ্গণ থেকে এক বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। বিশাল দলীয় পতাকা ও নানান ব্যানার, ফেস্টুন নিয়ে বর্ণাঢ্য র্যালিতে অংশগ্রহণ করেন জেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা। র্যালিটি চুয়াডাঙ্গা কোর্ট মোড়, বড় বাজার, কবরী রোড হয়ে পুনরায় সাহিত্য পরিষদ প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম, পৌর বিএনপির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম মনি, সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হক পল্টু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এম এ তালহা, জেলা জাসাসের সাধারণ সম্পাদক সেলিমুল হাবিব সেলিম, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রশিদ ঝন্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহেদ মোহাম্মদ রাজীব খান, মহিলা দলের সভানেত্রী রউফুন নাহার রিনা, যুবদল নেতা মশিউর রহমান মিশর প্রমুখ।



