রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের উদ্যোগে চুয়াডাঙ্গায় পথচারিদের মাঝে খাবার স্যালাইন, হাত পাখা ও ছাতা বিতরণ

স্টাফ রিপোর্টার
চুয়াডাঙ্গার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে মাঝারি তাপপ্রবাহ। দাপদাহের কারণে অহসহনীয় গরমের অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন। এই গরম ও তাপদাহের কবল থেকে বাঁচাতে মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে চুয়াডাঙ্গা রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের । গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১২ টার দিকে জেলা শহরের বড় বাজারের চৌরাস্তা মোড়ে বিশুদ্ধ পানি ও খাবার স্যালাইন এবং ছাতা বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার আনুষ্ঠানিকভাবে এই কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।
এসময় চুয়াডাঙ্গা শহরের পথচারি, বিভিন্ন ফুটপাতের দোকান ব্যবসায়ী, ভ্যান ও রিকশা চালকদের এবং ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের মাঝে ছাতা ও স্যালাইন পানি বিতরণ করা হয়। এরপর একইভাবে শহরের কোর্ট মোড় ও সদর হাসপাতাল এলাকায় এই কার্যক্রম পালন করে রেডক্রিসেন্ট ইউনিট। এই তীব্র গরমের কারণে তাদের কর্মসূচি চলবে সাত দিন।
চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার বলেন, প্রচণ্ড গরমে বিশেষ করে পথচারী, শ্রমজীবী মানুষ, শিক্ষার্থী ও বয়স্কদের পর্যাপ্ত বিশুদ্ধ পানি ও স্যালাইন গ্রহণ করা প্রয়োজন।  যাতে হিটস্ট্রোক ও পানিশূন্যতার ঝুঁকি কমে আসে। প্রয়োজন ছাড়া রোদে বের না হওয়া এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে সামাজিকভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান রইলো। রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই।
চুয়াডাঙ্গা রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের যুব প্রধান হাবিবুর রহমান বলেন,  তীব্র গরম ও রোদের দাপদাহের কারণে এই কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে। গরম থেকে বাঁচাতে সকল শ্রেনি-পেশার মানুষের খাবার স্যালাইন ও পানি খাওয়ানো হচ্ছে। সেই সাথে  রোদ গরম থেকে বাচঁতে ছাতা ও হাতপাখা দেয়া হচ্ছে। গরমের মধ্যে সুস্থ্য থাকার জন্য সচেতনামুলক মাইকিং কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন সিভিল সার্জন ডা. হাদী জিয়াউদ্দিন আহমেদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার, সরকারি কমিশনার আব্দুল্লাহ আল শামীম, চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে তত্ত্বাবধায়ক ডা. বিদ্যুৎ কুমার বিশ্বাস, রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম, সেক্রেটারি হামিদুর রহমান, রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের  কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য সেলিমুল হাবিব সেলিম, সিরাজুল ইসলাম মনি, মফিজুর রহমান মনা, আরিফ হোসেন জোয়ার্দ্দার সোনা, আল মাসুম বাবুসহ স্বেচ্ছাসেবকবৃন্দরা।
প্রসংগত গত কয়েকদিন ধরে জেলার ওপর দিয়ে বয়ে চলেছে মৃদ্যু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ। সেই সাথে তীব্র গরম। প্রতিদিনই তাপমাত্রা থাকছে ৩৭-৩৮ ডিগ্রির ঘরে। জ্যৈষ্ঠের খরতাপে দিনে-রাতে কোথাও শান্তি পাচ্ছে না।  

Leave a Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।