আলমডাঙ্গা অফিস
সন্তানের হাতে বই তুলে দিলেই অভিভাবকের দায়িত্ব শেষ হয় না। সে নিয়মিত বিদ্যালয়ে যাচ্ছে কি না, পড়াশোনায় মনোযোগী হচ্ছে কি না এবং তার আচরণ ও মানসিক পরিবর্তন কেমন—এসব বিষয়েও অভিভাবকদের নিয়মিত খোঁজ রাখতে হবে। শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ গঠনে বিদ্যালয়ের পাশাপাশি পরিবারকেও সমানভাবে দায়িত্ব নিতে হবে। এমন প্রত্যাশা উঠে এসেছে চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার আসমানখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অভিভাবক সমাবেশে।
শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মানোন্নয়ন, নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিতি ও ভালো ফলাফল নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গতকাল বুধবার বিকেল ৩টায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি আমান উল্লাহ আমানের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলাম, শিক্ষকবৃন্দ, অভিভাবক ও দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।
সমাবেশে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিতি ও পড়াশোনায় মনোযোগ বাড়ানোর বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। একই সঙ্গে সন্তানদের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহী করে তোলা, সময়ের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে সহযোগিতা করতে অভিভাবকদের আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
শিক্ষকেরা বলেন, একটি শিশুর ভবিষ্যৎ শুধু শ্রেণিকক্ষের চার দেয়ালের মধ্যে তৈরি হয় না। বিদ্যালয়ে শিক্ষক যেমন পথ দেখান, তেমনি পরিবারে অভিভাবকের নজরদারি, উৎসাহ ও ভালোবাসা শিক্ষার্থীর আত্মবিশ্বাস বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই শিক্ষার্থীর সাফল্যের জন্য শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ থাকা জরুরি।
সমাবেশে বিদ্যালয়ের সার্বিক শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফলের জন্য শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ৫ নম্বর গাংনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইমদাদুল হক মুন্সী, ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, এলাকার কৃতী সন্তান মহসিন কবির, ৫ নম্বর গাংনী ইউনিয়ন বিএনপির সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম মামুনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
আসমানখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ



