জীবননগর অফিস
শুরু হয়েছে পৌর সভার প্রার্থীদের গণসংযোগ। জীবননগর পৌর সভার নির্বাচনকে সামনে রেখে জামায়াত ও বিএনপির প্রার্থীরা আগে ভাগেই শুরু করেছেন নির্বাচনের গণসংযোগ। ক্ষমকাশীন দলের তকমা নিয়ে বিএনপি ফুরফুরে মেজাজে আর কৌশলী অবস্থানে জামায়াত। তবে ভেঙ্গে দেওয়া পরিষদের মেয়র তিনিও বসে নেই। তিনি তাঁর ভক্ত, সমর্থক ও শুভাকাঙ্খীদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছেন।
১৯৯৭ সালে জীবননগর ইউনিয়নের জীবননগর, দৌলৎগঞ্জ, রাজনগর, ডাঙ্গাপাড়া, দোয়ারপাড়া, নারায়নপুর ও সুবুলপুর গ্রাম এবং বাঁকা ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর, বাঁকা ও তেঁতুলিয়া গ্রাম নিয়ে জীবননগর পৌর সভা গঠিত হয়। পৌর সভার প্রথম চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন মতিয়ার রহমান। তিনি মেয়াদ পূর্তির আগেই মৃত্যু বরণ করেন। উপনির্বাচনে আশরাফুল হক চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এরপর নির্বাচনে জীবননগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি নোয়াব আলী চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এবং দীর্ঘ দিন তিনি চেয়ারম্যান ও মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম মেয়র পদে নির্বাচিত হন। সর্বশেষ নির্বাচনে মেয়র পদে নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগ নেতা হোটেল ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম। জামায়াত অনেক আগেই পৌর নির্বাচনের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে। জামায়াতের প্রার্থী জীবননগর উপজেলা আমীর মাওলানা সাজেদুর রহমান। তিনি দলের পরিকল্পনা অনুযায়ি দলের নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে পরিকল্পিত ভাবে গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। দলের পরিকল্পনা মেয়র পদে জয়লাভ করা।
বিএনপির প্রার্থীরা নিজের এবং দলের নেতার ছবি দিয়ে ব্যানার ফেস্টুন টাংগিয়ে মেয়র পদের প্রার্থীতা জানান দিচ্ছেন। দলের একক প্রার্থী কে হবেন তা জানে না কেউ।
জীবননগর পৌর বিএনপির সভাপতি শাজাহান কবীর। যিনি গত নির্বাচনে দলের মেয়র প্রার্থী ছিলেন। তিনি এবারও প্রার্থী হিসেবে দলের মনোনয়ন প্রত্যাশী। পৌর সভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের দুই বারের কাউন্সিলর ও পৌর যুবদলের আহবায়ক হযরত আলী তিনিও মেয়র প্রার্থী হিসেবে প্রার্থীতা জানান দিয়েছেন। পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক, মিল চাতাল ও ইটভাটা ব্যবসায়ী তিনিও প্রার্থী হিসেবে দোয়া চেয়ে প্রার্থীতা ঘোষণা করেছেন। শিক্ষিত তরুন ব্যবসায়ী, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও পৌরসভার সাবেক মেয়র হাজী নোয়াব আলীর বড় ছেলে নেছার উদ্দিন টুটুল এবারের নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী। টুটুল ইতিমধ্যে তিনি তার মার্জিত ব্যবহার দিয়ে মানুষের মনের ভিতর একটা জাগা দখল করে নিয়েছেন। টুটুলের জন্য বাড়তি সুবিধা সিনিয়রদের তিনি চাচা বলে ডাকেন।
ভেঙ্গে দেওয়া পৌর পরিষদের মেয়র হোটেল ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম তিনিও বসে নেই। তিনি তাঁর ভক্ত, সমর্থক ও শুভাকাঙ্খীদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ কুশল বিনিময় অব্যাহত রেখেছেন। এবারের স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় প্রতীক মুক্ত নির্বাচন হবে। দলীয় ভোটররা থাকবেন অনেকটা চাপ মুক্ত।
জীবননগর পৌর নির্বাচন ঘিরে আগাম প্রচারে মেয়র প্রার্থীরা জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা, দলের সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে বিএনপির একাধিক মনোনয়নপ্রত্যাশী



