নিশান মিয়া, তিতুদহ প্রতিনিধি
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার গহেরপুর গ্রামের আলী আকবর লিটনসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে করা মামলাকে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও হয়রানিমূলক দাবি করে এর প্রতিবাদে সংবাদ বিবৃতি দিয়েছেন মহিদুল ইসলাম মাস্টার। গতকাল বুধবার সকাল ১০টার দিকে গহেরপুরের বিবদমান জমির সামনে তিনি এ বিবৃতি দেন।
লিখিত বিবৃতিতে মহিদুল ইসলাম মাস্টার দাবি করেন, আরএস ১১৫ ও ১৬ নম্বর দাগের সুজায়েতপুর মৌজার ১ একর ২৫ শতক জমি তাঁদের নিজনামীয় দলিল ও খাজনাকৃত সম্পত্তি। ওই সম্পত্তি নিয়ে আলী আকবর লিটনের পক্ষে তিনি ২০২০ সালের ২৮ মে একটি হস্তান্তর প্রক্রিয়ায় যুক্ত হন। পরবর্তীতে জমি গ্রহণকারী পক্ষ অনিচ্ছা প্রকাশ করায় দুই বছর পর সম্পত্তিটি পুনরায় ফিরিয়ে দেওয়া হয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।
মহিদুল মাস্টারের অভিযোগ, প্রশাসনের সঙ্গে যোগসাজশ করে তাঁদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করা হয়েছে। ফলে বর্তমানে তাঁদের আদালতে হাজিরা দিতে হচ্ছে। তিনি বলেন, এ ঘটনায় তাঁরা অত্যন্ত মর্মাহত এবং সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চান।
বিবৃতিতে তিনি আরও দাবি করেন, দর্শনা থানায় মামলা হওয়ার পর তদন্তের দায়িত্ব তৎকালীন হিজলগাড়ি ক্যাম্পের এসআই জাহাঙ্গীর আলমকে দেওয়া হয়। তাঁর অভিযোগ, তিতুদহ ক্যাম্পের হুমায়ূন কবিরও তদন্তে সহযোগিতা করেন। পরে মামলায় দণ্ডবিধির ১১৪, ৪৪৭, ৩২৩, ৩৭৯, ৪০৬, ৪২০, ৩৮৫, ৩৮৭, ৪২৭ ও ৫০৬(২) ধারাসহ বিভিন্ন ধারা সংযুক্ত করা হয়।
মহিদুল ইসলাম মাস্টার বলেন, তাঁদের বিরুদ্ধে করা মামলার বিষয়ে চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার, ডিআইজি, আইজি ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানানো হবে। একই সঙ্গে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন মামলা থেকে তাঁদের রক্ষার দাবি জানান তিনি।
বিবৃতিতে তিনি আরও দাবি করেন, মামলার বাদী মনিরুজ্জামান মুক্ত ইসলামী ব্যাংকের চেক জালিয়াতিসহ একাধিক মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। তাঁর অভিযোগ, সাধারণ শ্রমিকদের বিরুদ্ধেও ওই ব্যক্তির মাধ্যমে মামলা করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মনিরুজ্জামানের বক্তব্য জানা যায়নি।
গহেরপুর গ্রামে নিরীহ ১০ জনের নামে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে এন্তার অভিযোগ



