আলমডাঙ্গা অফিস
আলমডাঙ্গা রেল ষ্টেশনের অদূরে রোডস এন্ড হাইওয়ে রাস্তার পাশের ৭টি কড়াই গাছের ডাল কেটে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে গোলাম মোস্তফা বিশ্বাসের বিরুদ্ধে। গতকাল সোমবার তিনি গাছ কাটার শ্রমিক নিয়ে গাছের ডালগুলো কাটেন এবং সেগুলো বিক্রয়ের জন্য অন্যত্র সরিয়ে রাখেন।
জানা গেছে, আলমডাঙ্গার বিনোদিয়া পীর সাহেবের ওয়ারিশগণের নিকট থেকে হারদী গ্রামের হাজী তাজেম আলী বিশ্বাসের ছেলে গোলাম মোস্তফা বিশ্বাস জমি ক্রয় করেন। গোলাম মোস্তফা বিশ্বাসের ক্রয় করা জমি সাথে রোডস এন্ড হাইওয়ে সড়কের পাশে ৭টি ছোটবড় কড়াই গাছ আছে। সম্প্রতি জমিতে কলা গাছ লাগিয়ে এবং তারের বেড়া দিয়ে ঘিরে নিয়েছেন তিনি । সোমবার সকাল থেকে গাছগুলো বিক্রয় করার জন্য তিনি লেবার নিয়ে গাছের মোটা ছোট ডালগুলো কাটেন এবং সেগুলো অন্যত্র সরিয়ে নেন। এসময় স্থানী কয়েকজন যুবক সড়কের গাছ কাটতে নিষেধ করে। তাদের নিষেধ না শুনতে তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিও করে ছাড়েন এবং জেলা পরিষদে সংবাদ দেন। সংবাদ পেয়ে জেলা পরিষদের সার্ভেয়ার শাসমুল আলম অফিসের স্টাফ শহিদুল ইসলামকে সাথে নিয়ে উপস্থিত হন। আলমডাঙ্গা থানা পুলিশও উপস্থিত ছিল।
জেলা পরিষদের সার্ভেয়ার শামসুল আলম বলেন, সংবাদ পেয়ে গাছ কাটার স্থান পরিদর্শন করি। কাটা গাছের ডালগুলো জব্দ করা হয়েছে। এবিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে।
অভিযুক্ত গোলাম মোস্তফা বিশ্বাস বলেন, আমার জমির পুকুর পাড়ে কলা গাছ লাগিয়েছে, কড়াই গাছের ডালের ছায়ার কারনে গাছ নষ্ট হচ্ছে, সেইকারনে কড়াই গাছের ডাল কাটা হয়েছে। আমি কোন অনুমতি নেই নি।
এ বিষয়ে আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহিনুর আক্তার বলেন, বিষয়টি আমি জানার সাথে সাথেই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করেছি, যেহেতু গাছগুলি রোডস এন্ড হাইওয়ের গাছ সে ক্ষেত্রে আইনি প্রক্রিয়া রোডস এন্ড হাইওয়ে কর্তৃপক্ষ গ্রহণ করবে।
আলমডাঙ্গায় সড়কের পাশের ৭ কড়াই গাছের ডাল কাটার অভিযোগ



