আলমডাঙ্গা অফিস
আলমডাঙ্গা পৌর এলাকার রাধিকাগঞ্জে এক প্রবাসীর বাড়িতে তালা ভেঙে চুরির ঘটনা ঘটেছে। চোরেরা নগদ টাকা, বিদেশে যাওয়ার পাসপোর্ট ও ভিসা, জমির দলিল, ব্যাংক ও বিমার চেক, মোটরসাইকেলের কাগজপত্রসহ বিভিন্ন মালামাল নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রবাসীর স্ত্রী আলমডাঙ্গা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে পূর্ব শত্রুতার জেরে কয়েকজন প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে। তবে পুলিশ বলছে, অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, রাধিকাগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা আলমগীর হোসেন কাতারপ্রবাসী। তিনি গত ২৩ জুন দেশে আসেন। গত ১০ জুলাই রাতে স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি হারদী গ্রামে বেড়াতে যান। যাওয়ার আগে বাড়ির তিনটি কক্ষসহ সব গেটে তালা লাগিয়ে যান। রাতে বাড়িতে কেউ না থাকায় দুর্বৃত্তরা মূল গেট টপকে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে বারান্দার গেট ও একটি কক্ষের দরজার তালা ভেঙে শোবার ঘরে ঢুকে আলমারির তালা ভেঙে নগদ টাকা, পাসপোর্ট, ভিসা, জমির দলিল, ব্যাংক ও বিমার চেক, মোটরসাইকেলের কাগজপত্র এবং কিছু ব্যবহৃত কাপড়চোপড় নিয়ে যায়।
পরদিন সকালে বাড়িতে ফিরে পরিবারের সদস্যরা দরজার তালা ভাঙা এবং ঘরের জিনিসপত্র এলোমেলো অবস্থায় দেখতে পান। পরে আলমারি খুলে গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র ও অন্যান্য মালামাল খোয়া যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হন।
প্রবাসীর স্ত্রী সাথী খাতুন অভিযোগ করেন, প্রতিবেশী আকরাম, ফাহি, কিরণ ও প্রান্তর সঙ্গে তাদের দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। তার দাবি, আলমগীর হোসেন দেশে ফেরার পর ওই ব্যক্তিরা দুই লাখ টাকা দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা বিভিন্ন সময় গালিগালাজ ও হুমকি দেন। তার অভিযোগ, ওই বিরোধের জেরেই তারা এ চুরির ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারেন।
তিনি আরও বলেন, চোরেরা শুধু টাকা বা মালামালই নেয়নি, আমার স্বামীর পাসপোর্ট ও ভিসাও নিয়ে গেছে। এগুলো না থাকায় তার নির্ধারিত সময়ে বিদেশে কর্মস্থলে ফিরে যাওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বানী ইসরাঈল বলেন, প্রবাসীর বাড়িতে চুরির ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আলমডাঙ্গায় প্রবাসীর বাড়িতে তালা ভেঙে চুরি নগদ টাকা, পাসপোর্ট-ভিসা, জমির দলিলসহ গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র খোয়া



