চুয়াডাঙ্গায় এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাশ করেছে ৭৯৩৩ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৩৯ জন, সরকারী কলেজ যশোর বোর্ডে তৃতীয়

স্টাফ রিপোর্টার
সারা দেশের ন্যায় যশোর বোর্ডের অধীনে চুয়াডাঙ্গায় এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। প্রকাশিত ফলাফলে ৭ হাজার ৯৩৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ৩ হাজার ৪৯৩ জন। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২২৯ জন। এবারও চুয়াডাঙ্গা সরকারী কলেজ জেলায় শীর্ষ স্থান ধরে রেখেছে। যশোর বোর্ড থেকে তৃতীয়স্থান অধিকার করেছে।

চুয়াডাঙ্গায় ২৪টি কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ৭ হাজার ১৩৬ জন। এর মধ্যে পাশ করেছে ৩ হাজার ১৫৬ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৫৯ জন। আলীম পরীক্ষায় ১১ টি মাদ্রাসা থেকে ৩৯৮ জন অংশ নিয়ে পাশ করেছে ২০৭ জন। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১০ জন। এদিকে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধিনে ১০টি শিক্ষা প্রতিষ্টান থেকে ৩৯৯ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাশ করেছে ১৩০ জন। কেউ জিপিএ-৫ পায়নি।

চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৮৫ দশমিক ১৮ শতাংশ। প্রতিষ্ঠানটি থেকে এবার মোট ১৫৯ জন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। চলতি বছর চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগে ৩১৪, মানবিকে ৩৮৮ ও ব্যবসায়ী শিক্ষায় ২০৯ মোট ৯১১ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৭৭৬ জন এবং অকৃতকার্য হয়েছেন ১৩৫ জন পরীক্ষার্থী।

চুয়াডাঙ্গা সরকারি আদর্শ মহিলা কলেজে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫৯ দশমিক ৬১ শতাংশ। প্রতিষ্ঠানটি থেকে এবার ৬ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। চলতি বছর চুয়াডাঙ্গা সরকারি আদর্শ মহিলা কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগে ১৮৩, মানবিকে ৫২২ ও ব্যবসায়ী শিক্ষায় ২৮ মোট ৭৩৩ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৪৩৭ জন এবং অকৃতকার্য হয়েছেন ২৯৬ জন পরীক্ষার্থী। চুয়াডাঙ্গা পৌর ডিগ্রি কলেজে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ২৭ দশমিক ১৯ শতাংশ। ১ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। চলতি বছর চুয়াডাঙ্গা পৌর ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগে ৫৯, মানবিকে ৫০৯ ও ব্যবসায়ী শিক্ষায় ১৩ মোট ৫৮১ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ১৫৮ জন এবং অকৃতকার্য হয়েছেন ৪২৩ জন পরীক্ষার্থী।
বদরগঞ্জ কলেজে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ১২ দশমিক ৩৯ শতাংশ। ১ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। বদরগঞ্জ কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগে ৪, মানবিকে ২২৮ ও ব্যবসায়ী শিক্ষায় ২ মোট ২৩৪ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ২৯ জন এবং অকৃতকার্য হয়েছেন ২০৫ জন পরীক্ষার্থী।
বড়শলুয়া নিউ মডেল কলেজে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ২৭ দশমিক ২১ শতাংশ। ১ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। বিজ্ঞান বিভাগে ৫, মানবিকে ১৪৮ ও ব্যবসায়ী শিক্ষায় ৬ মোট ১৫৮ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৪৩ জন এবং অকৃতকার্য হয়েছেন ১১৫ জন পরীক্ষার্থী। তেতুল শেখ কলেজে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫৮ দশমিক ৮২ শতাংশ। ৭ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। তেতুল শেখ কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগে ৩৮, মানবিকে ২৩৬ ও ব্যবসায়ী শিক্ষায় ১৫ মোট ২৮৯ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ১৭০ জন এবং অকৃতকার্য হয়েছেন ১১৯ জন পরীক্ষার্থী।


জীবননগর ডিগ্রি কলেজে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৪৭ দশমিক ৬৮ শতাংশ। জীবননগর ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগে ২২, মানবিকে ২৯৯ ও ব্যবসায়ী শিক্ষায় ২ মোট ৩২৩ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ১৫৪ জন এবং অকৃতকার্য হয়েছেন ১৬৯ জন পরীক্ষার্থী।
জীবননগর সরকারি আদর্শ মহিলা ডিগ্রি কলেজে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬২ দশমিক ৭৬ শতাংশ। ১৭ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। জীবননগর সরকারি আদর্শ মহিলা ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগে ২৭, মানবিকে ২৫৮ ও ব্যবসায়ী শিক্ষায় ৫ মোট ২৯০ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ১৮২ জন এবং অকৃতকার্য হয়েছেন ১০৮ জন পরীক্ষার্থী। উথলী কলেজে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ২৭ দশমিক ০৩ শতাংশ। ১ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। উথলী কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগে ৮, মানবিকে ১৩৭ ও ব্যবসায়ী শিক্ষায় ৩ মোট ১৪৮ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৪০ জন এবং অকৃতকার্য হয়েছেন ১০৮ জন পরীক্ষার্থী। আন্দুলবাড়িয়া কলেজে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৭৬ দশমিক ৭৪ শতাংশ। আন্দুলবাড়িয়া কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগে ১, মানবিকে ৪০ ও ব্যবসায়ী শিক্ষায় ২ মোট ৪৩ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৩৩ জন এবং অকৃতকার্য হয়েছেন ১০ জন পরীক্ষার্থী।

ওদুদু শাহ ডিগ্রি কলেজে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ২৪ দশমিক ৫২ শতাংশ। ওদুদ শাহ ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগে ১৪, মানবিকে ৪৪৯ ও ব্যবসায়ী শিক্ষায় ৬ মোট ৪৬৯ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ১১৫ জন এবং অকৃতকার্য হয়েছেন ৩৫৪ জন পরীক্ষার্থী। দামুড়হুদা পাইলট গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ১৩ দশমিক ৫১ শতাংশ। দামুড়হুদা পাইলট গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগে ৩, মানবিকে ২৬ ও ব্যবসায়ী শিক্ষায় ৮ মোট ৩৭ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৫ জন এবং অকৃতকার্য হয়েছেন ৩২ জন পরীক্ষার্থী।


দর্শনা সরকারি কলেজে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৪৫ দশমিক ১২ শতাংশ। ১৩ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। দর্শনা সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগে ১৭০, মানবিকে ৫৫৮ ও ব্যবসায়ী শিক্ষায় ১৪৩ মোট ৮৭১ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৩৯৩ জন এবং অকৃতকার্য হয়েছেন ৪৭৮ জন পরীক্ষার্থী। কার্পাসডাঙ্গা মহাবিদ্যালয় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ২৬ দশমিক ২৪ শতাংশ। ১ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। কার্পাসডাঙ্গা মহাবিদ্যালয় থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগে ৩, মানবিকে ২৫৮ ও ব্যবসায়ী শিক্ষায় ২ মোট ২৬৩ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৬৯ জন এবং অকৃতকার্য হয়েছেন ১৯৪ জন পরীক্ষার্থী।


আলমডাঙ্গা সরকারি কলেজে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫০ দশমিক ১৪ শতাংশ। ১৮ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। আলমডাঙ্গা সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগে ১৯০, মানবিকে ৫০১ ও ব্যবসায়ী শিক্ষায় ৩৩ মোট ৭২৪ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৩৬৩ জন এবং অকৃতকার্য হয়েছেন ৩৬১ জন পরীক্ষার্থী। আলমডাঙ্গা মহিলা কলেজে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ১৬ দশমিক ২৩ শতাংশ। আলমডাঙ্গা মহিলা কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগে ১৪, মানবিকে ২৮৪ ও ব্যবসায়ী শিক্ষায় ১০ মোট ৩০৮ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৫০ জন এবং অকৃতকার্য হয়েছেন ২৫৮ জন পরীক্ষার্থী। এমএস জোহা কলেজে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ১২ দশমিক ৭১ শতাংশ। এমএস জোহা কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগে ৮, মানবিকে ২৮৯ ও ব্যবসায়ী শিক্ষায় ২ মোট ২৯৯ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৩৮ জন এবং অকৃতকার্য হয়েছেন ২৬১ জন পরীক্ষার্থী। খাসকররা কলেজে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ২২ দশমিক ৮ শতাংশ। খাসকররা কলেজ থেকে মানবিকে ৭৬ ও ব্যবসায়ী শিক্ষায় ১ মোট ৭৭ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ১৭ জন এবং অকৃতকার্য হয়েছেন ৬০ জন পরীক্ষার্থী।


ড. আফসার উদ্দীন কলেজে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৩০ দশমিক ১৬ শতাংশ। ড. আফসার উদ্দীন কলেজ থেকে মানবিকে ৬২ ও ব্যবসায়ী শিক্ষায় ১ মোট ৬৩ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ১৯ জন এবং অকৃতকার্য হয়েছেন ৪৪ জন পরীক্ষার্থী। নিগার সিদ্দিক কলেজে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ১০ দশমিক ৫৩ শতাংশ। নিগার সিদ্দিক কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগে ৮, মানবিকে ১৯৫ ও ব্যবসায়ী শিক্ষায় ৬ মোট ২০৯ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ২২ জন এবং অকৃতকার্য হয়েছেন ১৮৭ জন পরীক্ষার্থী।
চুয়াডাঙ্গার ব্রাইট মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে পাসের হার দাঁড়িয়েছে শতভাগ। প্রতিষ্ঠানটি থেকে ৪ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। ব্রাইট মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগে ৯ ও মানবিকে ১৪ মোট ২৩ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ২৩ জন। চুয়াডাঙ্গার হোগলডাঙ্গা কলেজে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৪১ দশমিক ১৮ শতাংশ। হোগলডাঙ্গা কলেজ থেকে মানবিকে ১৪ ও ব্যবসায়ী শিক্ষায় ৩ মোট ১৭ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৭ জন এবং অকৃতকার্য হয়েছেন ১০ জন পরীক্ষার্থী।
হাটবোয়ালিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ১৮ দশমিক ১৮ শতাংশ। হাটবোয়ালিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে মানবিকে ৫৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ১০ জন এবং অকৃতকার্য হয়েছেন ৪৫ জন পরীক্ষার্থী।


চুয়াডাঙ্গার বড়বলদিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ২৭ দশমিক ২৭ শতাংশ বড়বলদিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে মানবিকে ১১ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৩ জন এবং অকৃতকার্য হয়েছেন ০৮ জন পরীক্ষার্থী।

Leave a Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।