‘ময়ে ময়ে’ কীভাবে ছড়ালো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে


আজকের চুয়াডাঙ্গা ডেস্ক প্রকাশের সময় : অক্টোবর ২০, ২০২৩, ১১:২১ অপরাহ্ণ
‘ময়ে ময়ে’ কীভাবে ছড়ালো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যারা ব্যবহার করেন সম্প্রতি তারা পরিচিত হয়েছেন ‘ময়ে ময়ে’ শব্দটির সঙ্গে। অনেকের ভিডিওতে কিংবা পোস্টে লেখাটি দেখলেও অনেকেই হয়তো আঁচ করতে পারছেন না- বিষয়টি আসলে কী? কেনইবা শব্দটি লেখা হচ্ছে বা এ শব্দ দিয়ে মিমস বানাচ্ছে। কোথা থেকে এই শব্দের উৎপত্তি।

আসলে ‘ময়ে ময়ে’ একটি গান। গানটি সার্বিয়ার ভাষায় রচিত। টিকটক এবং ফেসবুকের শর্টি ভিডিও (রিলস) থেকেই এটি ছড়িয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। এ ছাড়াও ইউটিউব ও লাইকিতে রীতিমতো চলছে ‘ময়ে ময়ে’ তোলপাড়।

গানটির লিরিক্সে মূলত ‘ময়ে মরে’ বলা হলেও ভাইরাল হয়েছে ‘ময়ে ময়ে’ নামেই। ভাইরাল হওয়ার অন্যতম কারণ এর ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক। স্যাড মিউজিক হওয়ায় এটি দর্শকদের নজড় কেড়েছে। ইউটিউবে গানটি ড্যানাম নামে প্রকাশ হয়েছে। ২.৫৪ সেকেন্ডের এই গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন সার্বিয়ার গায়িকা তেয়া দোরা। গানটির লিরিক্স লিখেছেন র‍্যাপার স্লোবোদান ভেলকোভিক কোবি এবং শিল্পী তোয়া দোরা। সুর দিয়েছেন লোকা জোভানোভিক।

গানটির ‘মরে’ অর্থ দুঃস্বপ্ন। ব্যর্থ একজন মানুষের ভালোবাসা না পাওয়ার যন্ত্রণা উঠে এসেছে এই গানে। সম্পর্কে জড়িয়েও সৎ সঙ্গীর দেখা না পাওয়ার কষ্ট উঠে এসেছে গানে। দিনের পর দিন তাকে যন্ত্রণা দিয়ে যাচ্ছে সেই দুঃস্বপ্ন। দুঃস্বপ্নের ঘোরে নিজেকে তার অসহায় লাগে, তবুও তিনি বাঁচতে চান ভালোবাসায়। তিনি চান কেউ তাকে ভালোবাসুক,যত্ন নিক এবং আগলে রাখুক।

চলতি বছরের ২২ মার্চ সার্বিয়ার সংগীত প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান রেইম ও জুনির ভেতারের ব্যানারে গানটি রিলিজ হয়। ইউটিউবে গানটি দেখেছেন ৪৭ (৪ কোটি ৭০ লাখ) মিলিয়ন মানুষ। এতে লাইক দিয়েছেন এক মিলিয়নের অধিক এবং মন্তব্য করেছেন ২৬ হাজার মানুষ। গানটি প্রকাশ পেয়েছে গান শোনার স্ট্রিমিং অ্যাপ স্পটিফাইতেও।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গানটি ভাইরাল হওয়ার পর এই নামে (ময়ে ময়ে) একটি নাটক প্রকাশ হয়েছে ইউটিউবে। মহিন খানের লেখা এবং দিকনির্দেশনায় নাটকটিতে অভিনয় করেছেন নিলয় আলমগীর ও হিমি। 

আজকের চুয়াডাঙ্গা এর সংবাদ সবার আগে পেতে Follow Or Like করুন আজকের চুয়াডাঙ্গা এর ফেইসবুক পেজ এ , আজকের চুয়াডাঙ্গা এর টুইটার এবং সাবস্ক্রাইব করুন আজকের চুয়াডাঙ্গা ইউটিউব চ্যানেলে