সিজারের ১১ দিন পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে নারীর মৃত্যু, দুধের শিশুর কান্না যেন থামছেই না


আজকের চুয়াডাঙ্গা ➤ নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশের সময় : ডিসেম্বর ৭, ২০২৩, ১০:৫০ পূর্বাহ্ণ
সিজারের ১১ দিন পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে নারীর মৃত্যু, দুধের শিশুর কান্না যেন থামছেই না

দামুড়হুদায় সিজারিয়ান অপারেশনের ১১ দিন পর  এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। মারা যাওয়া ওই নারীর নাম মমতাজ খাতুন (৩০)। তিনি উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা গ্রামের পান্তাপাড়ার ঈমান আলীর স্ত্রী।

বুধবার (০৬ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে আটটার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এর আগে গত ১১ দিন পূর্বে কার্পাসডাঙ্গায় নিরাময় ক্লিনিকে তার সিজার করা হয়। এসময় একটি ফুটফুটে পুত্র সন্তানের জন্ম দেন মমতাম খাতুন। অপারেশনের তিন দিন পর রক্তক্ষরণ শুরু হলে ওই ক্লিনিকে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

বুধবার (০৬ ডিসেম্বর) আবারও অতিরিক্ষ রক্তক্ষরণ শুরু হলে তাকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন পরিবারের সদস্যরা। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসক তাকে রাজশাহী রেফার্ড করেন। কিন্তু রাজশাহী নিয়ে যাওয়ার আগেই মৃত্যু হয় মমতাজের।

বুধবার  রাতেই অ্যাম্বুলেন্সযোগে মরদেহ নেওয়া হয় গ্রামের বাড়িতে। মাকে হারিয়ে দুধের শিশুর কান্না যেন থামছেই না।

মমতাজ খাতুনের বোন ফুলমনি খাতুন জানান, ‘গত ১১ দিন আগে কার্পাসডাঙ্গার নিরাময় ক্লিনিকে ডা. আবু হাসানুজ্জামান নুপুর সিজারিয়ান অপারেশন করেন। এর তিনদিন পর রক্তক্ষরণ শুরু হলে নিরাময় ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বুধবার সকালে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ শুরু হলে বিকেল চারটার দিকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রাত আটটার দিকে আমার বোন মারা যায়।’

এ বিষয়ে ডা. আবু হাসানুজ্জামান নুপুর বলেন, ‘অপারেশনে আমার কোনো ত্রুটি ছিল না।রক্তক্ষরণ হতে পারে। তার মৃত্যুর বিষয়টি রাতেই শুনেছি। রোগীর সমস্যা হলেও তার স্বজনরা আমার সঙ্গে কিংবা ক্লিনিকে যোগাযোগ করেনি।’

নিরাময় ক্লিনিকের মালিক বিল্লাল হোসাইন বলেন, ‘ডা. আবু হাসানুজ্জামান নুপুর সিজারিয়ান অপারেশন করেছিলেন। অ্যানেস্থেসিয়া চিকিৎসক হিসেবে কে ছিলেন, আমার জানা নেই।’

আজকের চুয়াডাঙ্গা এর সংবাদ সবার আগে পেতে Follow Or Like করুন আজকের চুয়াডাঙ্গা এর ফেইসবুক পেজ এ , আজকের চুয়াডাঙ্গা এর টুইটার এবং সাবস্ক্রাইব করুন আজকের চুয়াডাঙ্গা ইউটিউব চ্যানেলে